ড্যানিয়েল স্টিল: সেই নারী, যিনি মানুষের হৃদয়ের সমস্ত ভাঙন আর পুনর্জন্মকে অক্ষরে বন্দি করে ফেলেছেন
সর্বকালের সর্বাধিক বিক্রীত লেখক

মানবসাহিত্যের ইতিহাসে এমন কিছু প্রতিভা আছেন, যাদের লেখা কোনো এক যুগে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তারা মানুষের আবেগের সমস্ত স্তরকে নিজের ভেতর ধারণ করে যুগ যুগ ধরে পাঠকের হৃদয়ে বেঁচে থাকেন। ড্যানিয়েল স্টিল তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিস্ময়কর, সবচেয়ে পরিশ্রমী, আর সবচেয়ে বেশি পঠিত নাম। তিনিই পৃথিবীর সর্বাধিক বিক্রীত জীবিত লেখক — তার বই বিক্রি হয়েছে প্রায় এক বিলিয়ন কপি, যা তাকে ইতিহাসের চতুর্থ সর্বাধিক বিক্রীত কথাসাহিত্যিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, শেক্সপিয়ার, আগাথা ক্রিস্টি আর বারবারা কার্টল্যান্ডের পরেই। কিন্তু এই সংখ্যার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক নারীর জীবনের এক অসাধারণ যাত্রা — পাঁচটি বিয়ে, নয়টি সন্তান, এক পুত্রের আত্মহত্যার বেদনা, আর পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতি রাতে চার ঘণ্টা ঘুমিয়ে লেখার এক অকল্পনীয় শ্রম।
১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট নিউইয়র্ক সিটিতে জন্মগ্রহণ করেন ড্যানিয়েল ফার্নান্দে শুলেইন-স্টিল। তার পিতা ছিলেন জার্মান ইহুদি বংশোদ্ভূত, মাতা ছিলেন পর্তুগিজ আমেরিকান। শৈশবের অনেকটা সময় কেটেছে ফ্রান্সে, অভিজাত পরিবেশে, বিলাসবহুল নৈশভোজ আর সামাজিক অনুষ্ঠানের মাঝে। তিনি একবার বলেছিলেন, "আমার শৈশব ছিল খুবই প্রাপ্তবয়স্ক ধরনের। তাই আমি খুব অল্প বয়সেই একজন নীরব পর্যবেক্ষক হয়ে উঠেছিলাম। পিছনে তাকিয়ে এখন মনে হয়, এটাই আমাকে লেখক বানিয়েছে"। কিন্তু এই বিলাসবহুল জীবন তাকে মুগ্ধ করেনি; বরং আট বছর বয়সে বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি সেই সুবিধাভোগী জগতের ভণ্ডামি দেখতে শুরু করেন। এই অভিজ্ঞতাই তাকে শিখিয়ে দিয়েছিল, জীবনের আসল সত্য লুকিয়ে থাকে আরামদায়ক পর্দার আড়ালে, আর সেই সত্যকেই তিনি তার লেখায় তুলে আনতে চেয়েছেন।
স্টিল ১৯৬৫ সালে নিউইয়র্কের লাইসি ফ্রাঁসে দে নিউ ইয়র্ক থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন, এরপর নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি এবং প্যারসন স্কুল অব ডিজাইনে ফ্যাশন ও সাহিত্য অধ্যয়ন করেন। কিন্তু তার প্রকৃত শিক্ষা ঘটেছিল জীবনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে। মাত্র আঠারো বছর বয়সে তিনি ফরাসি ব্যাংকার ক্লোদ-এরিক লাজারের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং এক বছর পর কন্যা বিট্রিক্সের জন্ম দেন। কিন্তু এই বিয়ে টেকেনি, এবং বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি সান ফ্রান্সিসকোতে চলে যান, যেখানে তিনি গ্রে অ্যাডভার্টাইজিং-এ কপিরাইটার হিসেবে কাজ শুরু করেন। এই সময়েই তিনি একটি ম্যাগাজিনের জন্য জরিপকৃত বন্দীদের নিয়ে লেখার সময় কারাগারে ড্যানি জুগেল্ডার নামের এক ব্যক্তির সাথে পরিচিত হন, যিনি ধর্ষণ ও ডাকাতির অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন। এই সম্পর্কটি ছিল বিস্ময়কর, বিতর্কিত, আর শেষ পর্যন্ত ধ্বংসাত্মক — জুগেল্ডার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে স্টিলের সাথে থাকতে শুরু করেন, কিন্তু ১৯৭৪ সালে আবার কারাগারে ফিরে যান। স্টিল তার প্রথম স্বামীর সাথে বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হওয়ার পর ১৯৭৫ সালে কারাগারের ক্যান্টিনে জুগেল্ডারকে বিয়ে করেন। এই বিয়ে কয়েকবার গর্ভপাতের পর ১৯৭৮ সালে বিবাহবিচ্ছেদে শেষ হয়।
কিন্তু এই ব্যক্তিগত অস্থিরতার মধ্যেই স্টিল তার সাহিত্যিক যাত্রা শুরু করেন। মাত্র উনিশ বছর বয়সে তিনি তার প্রথম উপন্যাস সম্পূর্ণ করেন, যা অবশেষে ১৯৭৩ সালে গোয়িং হোম নামে প্রকাশিত হয়। স্টিল তার প্রথম স্বামীর অমত সত্ত্বেও একটি পাবলিক রিলেশন্স এজেন্সিতে কাজ শুরু করেছিলেন, যেখানে লেডিস হোম জার্নালের একজন সম্পাদকের সাথে তার দেখা হয়, যিনি তার ফ্রিল্যান্স লেখায় মুগ্ধ হয়ে তাকে পেশাদার লেখক হওয়ার পরামর্শ দেন। স্টিল তিন মাস নিজেকে "নিঃসঙ্গ" করে রেখে এই উপন্যাসটি লিখেছিলেন, এবং তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে লেখালেখিই তার জীবনের পথ। কিন্তু প্রকৃত সাফল্য আসে ১৯৭৮ সালে দ্য প্রমিস প্রকাশের পর, যা তাকে রাতারাতি একজন তারকা বানিয়ে দেয় এবং তার পরবর্তী পারিবারিক নাট্যধর্মী উপন্যাসগুলোর টেমপ্লেট তৈরি করে। সেই থেকে শুরু হয় এক অবিরাম যাত্রা — প্রতি বছর একাধিক বই, প্রতি বই বেস্টসেলার, এবং প্রতি বছর পাঠকের সংখ্যা বাড়তেই থাকে।
স্টিলের সাহিত্যিক কৃতিত্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণ সম্ভবত তার অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতা। তার প্রতিটি বই নিউ ইয়র্ক টাইমস বেস্টসেলার তালিকায় স্থান পেয়েছে — এই রেকর্ড অন্য কোনো লেখকের নেই। তিনি টানা ৩৯০ সপ্তাহ ধরে নিউ ইয়র্ক টাইমস বেস্টসেলার তালিকায় ছিলেন, এবং ২০১৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত মোট ৭৯০ সপ্তাহ ধরে তার নাম এই তালিকায় ছিল, যা কোনো একক লেখকের জন্য সর্বোচ্চ রেকর্ড হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্বীকৃত। তার ১৮০টিরও বেশি বই ৪৩টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং ৬৯টি দেশে পাওয়া যায়। ১৯৭৩ সালে আত্মপ্রকাশ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত তিনি ২১০টিরও বেশি বই প্রকাশ করেছেন, যার মধ্যে ১৪১টিরও বেশি উপন্যাস। ২০০৫ সাল নাগাদ তার বইয়ের বিক্রি ছিল ৫৩০ মিলিয়ন কপি, যা এখন এক বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। এই পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যা নয় — এই সংখ্যার ভেতরে লুকিয়ে আছে কোটি কোটি মানুষ, যারা স্টিলের গল্পে নিজেদের জীবনের ভাঙন, পুনর্জন্ম, প্রেম আর ক্ষতির প্রতিচ্ছবি খুঁজে পেয়েছেন।
স্টিলের লেখার পদ্ধতিটি ছিল নিজেই এক বিস্ময়। তিনি তার সমস্ত উপন্যাস অলিম্পিয়া এসজি-১ নামের একটি পুরনো টাইপরাইটারে লিখেছেন, যা তিনি ২০ ডলারে সেকেন্ড হ্যান্ড কিনেছিলেন। তার সান ফ্রান্সিসকো আর প্যারিসের বাড়িতে দুটি আলাদা টাইপরাইটার আছে, এবং সান ফ্রান্সিসকোর টাইপরাইটারটি তার প্রথম বই লেখার সময় থেকেই তার কাছে আছে। তিনি প্রায়শই ২০ থেকে ৩০ ঘণ্টা একটানা টাইপরাইটারে কাজ করেন, চুল আঁচড়ান না, পুরনো নাইটগাউন পরে থাকেন, আর শরীরের প্রতিটি অস্থি ব্যথায় কাতর হয়ে ওঠে। স্টিল একবার রাগ করে বলেছিলেন, "তুমি কী ভাবো, আমার বই কে লেখে? আমি, যে টাইপরাইটারের উপর ঝুঁকে থেকে সপ্তাহের পর সপ্তাহ প্রথম খসড়া লিখি, না চুল আঁচড়াই, পুরনো নাইটগাউনে থাকি, আর একটানা ২০-২২ ঘণ্টা টাইপ করার পর শরীরের প্রতিটি ইঞ্চি ব্যথায় কাঁপে? আমিই লেখি আমার বই"। এই শ্রম আর নিষ্ঠাই তাকে এমন এক উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে, যেখানে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব।
স্টিলের ব্যক্তিগত জীবন তার উপন্যাসের মতোই জটিল আর ঘটনাবহুল। তিনি পাঁচবার বিয়ে করেছেন — ক্লোদ-এরিক লাজার, ড্যানি জুগেল্ডার, উইলিয়াম টথ, জন ট্রাইনা, আর টম পারকিন্স। তার দ্বিতীয় স্বামী জুগেল্ডার ছিলেন একজন সাজাপ্রাপ্ত ধর্ষক, যাকে তিনি কারাগারে বিয়ে করেছিলেন। তার তৃতীয় স্বামী উইলিয়াম টথ ছিলেন হেরোইন আসক্ত, যার সাথে তার পুত্র নিকের জন্ম হয়। তার চতুর্থ স্বামী জন ট্রাইনা ছিলেন একজন শিপিং ম্যাগনেট, যিনি নিককে দত্তক নিয়ে নিজের পদবি দিয়েছিলেন, এবং স্টিলের সাথে তার আরও পাঁচটি সন্তান হয় — সামান্থা, ভিক্টোরিয়া, ভেনেসা, ম্যাক্স, আর জারা। পাঁচটি বিয়ের পাশাপাশি তিনি নয়টি সন্তান লালন-পালন করেছেন। স্টিল একবার বলেছিলেন, "আমি সম্ভবত সবচেয়ে আপটাইট, রক্ষণশীল মানুষ যাকে আপনি দেখবেন। আমি খুব ধার্মিক। সারাজীবন আমি এমনই ছিলাম, তাই আমি সেই দুই বোকাকে বিয়ে করেছিলাম, তাদের সাথে শুধু শোবার বদলে"। এই কথায় তার ব্যক্তিগত জীবনের দ্বন্দ্ব আর আত্মসচেতনতার ছাপ স্পষ্ট।
কিন্তু স্টিলের জীবনের সবচেয়ে বড় আঘাত আসে ১৯৯৭ সালে, যখন তার পুত্র নিক ট্রাইনা আত্মহত্যা করেন। নিক ছিলেন বাইপোলার ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত, এবং স্টিল তার জীবনের শেষ বছরগুলোতে তার চিকিৎসা ও সুস্থতার জন্য নিরলসভাবে লড়াই করেছিলেন। নিকের মৃত্যুর পর স্টিল হিজ ব্রাইট লাইট নামে একটি নন-ফিকশন বই লেখেন, যা তার পুত্রের জীবন ও মৃত্যুর গল্প। এই বইটিও নিউ ইয়র্ক টাইমস বেস্টসেলার তালিকায় স্থান পায়। এই বই লেখার মধ্য দিয়ে স্টিল প্রমাণ করেছেন, ব্যক্তিগত বেদনাকে তিনি কেবল সহ্য করেননি, বরং সেটিকে অন্যদের জন্য অর্থবহ কিছুতে রূপান্তরিত করেছেন। নিকের স্মৃতিতে তিনি মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতার কাজেও সক্রিয় হয়েছেন, এবং তার অবদানের জন্য নিউ ইয়র্ক প্রেসবাইটেরিয়ান হাসপাতাল, কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি মেডিকেল স্কুল আর কর্নেল মেডিকেল কলেজ থেকে "ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস ইন মেন্টাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড" পেয়েছেন — যা প্রথমবার কোনো অ-চিকিৎসককে দেওয়া হয়েছিল।
স্টিলের সমাজসেবার কাজও কম নয়। তিনি দুটি ফাউন্ডেশন তৈরি করেছেন, যেগুলো মানসিক রোগে আক্রান্ত, নির্যাতিত শিশু আর গৃহহীন মানুষের সেবায় কাজ করে। ২০০২ সালে ফরাসি সরকার তাকে অর্ডার দে আর্ত এ দে লেত্র উপাধিতে ভূষিত করে, এবং ২০১৪ সালে তিনি লিজিয়ন দ'অনার পান। ২০০৯ সালে তিনি ক্যালিফোর্নিয়া হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত হন। এই সমস্ত স্বীকৃতি প্রমাণ করে, স্টিল কেবল একজন বাণিজ্যিকভাবে সফল লেখক নন, বরং একজন প্রকৃত মানবতাবাদীও।
কিন্তু স্টিল সম্পর্কে সবচেয়ে বড় সত্যটা হলো — তাকে কেউ গুরুত্বের সাথে নেয়নি। সাহিত্য সমালোচকরা তার লেখাকে "চটজলদি", "পুনরাবৃত্তিমূলক", "অগুরুত্বপূর্ণ" বলে উপহাস করেছেন। পাবলিশার্স উইকলি একবার লিখেছিল, "সমালোচকদের স্বীকৃতির সম্পূর্ণ অভাব সত্ত্বেও তার সাফল্য অব্যাহত রয়েছে"। কিন্তু স্টিল কখনো এই সমালোচনায় বিচলিত হননি। বরং তিনি তার পাঠকদের জন্য লিখেছেন, এবং তার পাঠকরা তাকে ভালোবেসেছেন। গুডরিডসে তার বইগুলোর গড় রেটিং ৪.০১/৫, যা পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রকাশিত একজন লেখকের জন্য অসাধারণ। স্টিল একবার বলেছিলেন, "আমি আমার সাফল্যে বিস্মিত। আমি লিখেছি কারণ আমার প্রয়োজন ছিল এবং আমি চেয়েছি। আমি কখনো ভাবিনি যে আমি বিখ্যাত হব। আমি রাতে লিখতাম কারণ আমি ভালোবাসতাম। আমি টাকার জন্য করিনি, পেশা হিসেবে করিনি। আমি শুধু করেছি কারণ আমার করতে হয়েছিল"। এই সরল স্বীকারোক্তিই তার প্রতিভার সারমর্ম।
স্টিলের প্রভাব কেবল বইয়ের দুনিয়ায় সীমাবদ্ধ নয়। তার ২২টিরও বেশি উপন্যাস টেলিভিশনের জন্য রূপান্তরিত হয়েছে, যার মধ্যে দুটি গোল্ডেন গ্লোব মনোনয়ন পেয়েছে। জুয়েলস, কালাইডোস্কোপ, জয়া, দ্য প্রমিস — এই তালিকা অসীম। ২০০৫ সালে তিনি নিউ লাইন হোম এন্টারটেইনমেন্টের সাথে ৩০টি উপন্যাসের ফিল্ম রাইট বিক্রির চুক্তি করেন। তার প্রভাব বাংলা সাহিত্যেও পৌঁছেছে — তার অনেক উপন্যাস বাংলায় অনূদিত হয়েছে, এবং বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের পাঠকরা তাকে ভালোবেসে পড়েন।
শেষ বিচারে, ড্যানিয়েল স্টিল মানে কেবল কিছু রোমান্টিক উপন্যাস নয়। তিনি মানে সেই নারী, যিনি পাঁচটি বিয়ের ভাঙন, নয়টি সন্তানের দায়িত্ব, এক পুত্রের আত্মহত্যার বেদনা, আর পঞ্চাশ বছরের অবিরাম শ্রমের মধ্য দিয়ে হেঁটে গিয়ে কোটি কোটি মানুষকে শিখিয়েছেন — জীবনের সমস্ত ভাঙন সত্ত্বেও ভালোবাসা সম্ভব, নতুন শুরু সম্ভব, আবার বিশ্বাস করা সম্ভব। তিনি মানে সেই কণ্ঠস্বর, যিনি প্রতি রাতে চার ঘণ্টা ঘুমিয়ে, পুরনো নাইটগাউনে, অপরিচ্ছন্ন চুলে, এক অবিনশ্বর টাইপরাইটারে টাইপ করে গেছেন মানুষের হৃদয়ের সমস্ত সুখ, দুঃখ, প্রেম, ক্ষতি, আর পুনর্জন্মের গল্প। ড্যানিয়েল স্টিল কোনো এক দেশের, এক যুগের, এক ভাষার লেখিকা নন — তিনি সমগ্র মানবজাতির সেই হৃদয়ের কথক, যিনি কাগজের পাতায় মানুষের চিরকালীন ভাঙন আর নতুন করে গড়ে ওঠার গল্প লিখে গেছেন। আর সেই গল্প কোনোদিন শেষ হবে না, কারণ মানুষ কোনোদিন নিজের গল্প বলা বন্ধ করবে না।
বারবারা কার্টল্যান্ড: সাহিত্যের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্যারাডক্স — যিনি কোটি কোটি হৃদয় জয় করেছিলেন, অথচ খুব কম মানুষই তাকে মনে রেখেছে
পরবর্তীহ্যারল্ড রবিন্স: সেই মানুষ, যিনি আমেরিকান স্বপ্নের অন্ধকার দিকটাকে বিক্রি করে কোটিপতি হয়েছিলেন
সম্পর্কিত সংবাদ
বাংলা শিক্ষা
‘গাইড বইওয়ালারা সাবধানে থাকবেন, এবার ধরা খাবেন’: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলা শিক্ষা
নভেম্বরের শুরুতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা তিন দিনের ছুটি

বাংলা শিক্ষা
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ৩১ অক্টোবর, পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ নভেম্বর থেকে
বাংলা শিক্ষা
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু ৮ ডিসেম্বর, চলবে চার দিন
বাংলা শিক্ষা
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু ৮ ডিসেম্বর, চলবে চার দিন

বাংলা শিক্ষা
বিটিসির মাধ্যমে কলেজে ভর্তি শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনে নতুন নির্দেশনা
মন্তব্য
অনুমোদিত মন্তব্য এখানে দেখা যাবে। নতুন মন্তব্য পর্যালোচনার পর প্রকাশ হয়।
- এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
