উইলিয়াম শেক্সপিয়ার: সেই মহাপুরুষ, যিনি মানবসভ্যতার আত্মাকে ভাষা দিয়েছিলেন
সর্বকালের সর্বাধিক বিক্রীত লেখক

মানবসভ্যতার ইতিহাসে এমন কিছু মানুষ জন্মেছেন, যাদের existence কোনো এক যুগে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তারা কালের প্রবাহকে নিজের ভেতর ধারণ করে যুগ যুগ ধরে বেঁচে থাকেন। উইলিয়াম শেক্সপিয়ার তাদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল, সবচেয়ে রহস্যময়, আর সবচেয়ে প্রভাবশালী নাম। ১৫৬৪ সালের এপ্রিল মাসে ইংল্যান্ডের স্ট্র্যাটফোর্ড-আপন-অ্যাভন নামের এক নিভৃত নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন এই মানুষটি, যার পিতা জন শেক্সপিয়ার ছিলেন একজন গ্লাভস নির্মাতা এবং স্থানীয় রাজনীতিতে কিছুটা সক্রিয়, আর মাতা মেরি আর্ডেন ছিলেন সচ্ছল জমিদার পরিবারের সন্তান। সেই ছোট্ট শহর থেকে গ্লোব থিয়েটারের মঞ্চ পর্যন্ত তার যাত্রা, এবং সেখান থেকে গোটা পৃথিবীর সাহিত্য, ভাষা, সংস্কৃতি ও মানবচেতনার কেন্দ্রবিন্দুতে পৌঁছে যাওয়া — এ এক বিস্ময়কর অধ্যায়, যা আজও গবেষকদের বিস্মিত করে, পাঠকদের মুগ্ধ করে, আর নাট্যকর্মীদের প্রেরণা দেয়।
শেক্সপিয়ারের শিক্ষাজীবন নিয়ে খুব বেশি তথ্য নেই, তবে এটুকু জানা যায় যে তিনি স্ট্র্যাটফোর্ডের গ্রামার স্কুলে ল্যাটিন, গ্রিক ও ধ্রুপদী সাহিত্যের শিক্ষা লাভ করেছিলেন। কিন্তু কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি যাননি, অক্সফোর্ড বা কেমব্রিজের কোনো ডিগ্রি তার ছিল না। অথচ এই মানুষটি ইংরেজি ভাষার সবচেয়ে বড় শব্দভান্ডারের অধিকারী হিসেবে বিবেচিত হন, এবং তার সৃষ্ট চরিত্রগুলো মানবমনের এমন গভীরে পৌঁছেছে, যেখানে বাইবেল কিংবা মহাভারতের চরিত্ররাও কেবল ছুঁয়ে যেতে পেরেছে। তার রচিত ৩৯টি নাটক, ১৫৪টি সনেট এবং দুইটি দীর্ঘ আখ্যানকবিতা — এই অল্প পরিসরের রচনাসম্ভারই ইংরেজি তথা বিশ্বসাহিত্যের ভিত্তিপ্রস্তর হয়ে দাঁড়িয়ে আছে চারশো বছরেরও বেশি সময় ধরে।
শেক্সপিয়ারের সবচেয়ে বড় অবদান সম্ভবত তিনি ভাষার প্রতি করেছিলেন। ইংরেজি ভাষা তার আগেও ছিল, কিন্তু শেক্সপিয়ারের কলমে সেই ভাষা পেয়েছিল আত্মা, গতি ও গভীরতা। তিনি প্রায় ১৭০০টিরও বেশি নতুন শব্দ ইংরেজি ভাষায় যোগ করেন অথবা প্রচলিত শব্দকে একেবারে নতুন অর্থে বুনে দেন। Lonely, Gossip, Fashionable, Generous, Bedroom, Eyeball, Swagger, Hint — এগুলো কেবল শব্দ নয়, এগুলো শেক্সপিয়ারের সৃজনশীল মস্তিষ্কের সন্তান, যা আজ পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের মুখে প্রতিদিন উচ্চারিত হয়। অথচ আমরা অনেকেই জানি না, এই শব্দগুলোর জন্মদাতা কে। তার বিখ্যাত "To be, or not to be" আজ শুধু নাটকের সংলাপ নয়, এটা মানবঅস্তিত্বের সংকটের সর্বজনীন প্রকাশ, যা সমগ্র মানবসভ্যতার দার্শনিক প্রশ্নকে এক বাক্যে ধারণ করে।
শেক্সপিয়ারের আগে নাটক বলতে বোঝানো হতো সাধারণ বিনোদনকে — ধর্মীয় আখ্যান, মূকাভিনয়, অথবা মধ্যযুগীয় নীতিগর্ভ কাহিনি। কিন্তু শেক্সপিয়ার এই ধারণাকে সম্পূর্ণ ভেঙে চুরমার করে দেন এবং নাটকের মঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করেন মানবমনের সমস্ত জটিলতা, দ্বন্দ্ব, আবেগ ও ট্র্যাজেডি। তার ট্র্যাজেডিতে আমরা দেখি হ্যামলেটের আত্মজিজ্ঞাসা, ম্যাকবেথের ক্ষমতালোভ ও বিবেকের কাঁটা, কিং লিয়ারের পিতৃহৃদয়ের করুণ পরিণতি, ওথেলোর ঈর্ষাজনিত ধ্বংস। তার কমেডিতে আছে আ মিডসামার নাইটস ড্রিমের কল্পনাময় জগৎ, টুয়েলফথ নাইটের পরিচয়-সংকট, অ্যাজ ইউ লাইক ইটের সামাজিক ব্যঙ্গ। তার ইতিহাস নাটকে আছে হেনরি সিরিজের রাজনৈতিক জটিলতা, রিচার্ড III-এর নিষ্ঠুরতার ভেতর দিয়ে মানবচরিত্রের গভীরে অনুপ্রবেশ। আর তার রোমান্সে আছে দ্য টেম্পেস্টের ক্ষমা, দ্য উইন্টার্স টেলের পুনর্মিলন, সিম্বেলিনের বিশ্বাসঘাতকতা। তার চরিত্ররা কখনো সম্পূর্ণ সাধু নয়, কখনো সম্পূর্ণ পাপী নয় — তারা মানুষের মতোই জটিল, দ্বিধাগ্রস্ত, পরস্পরবিরোধী।
এই চরিত্রায়ণই আধুনিক সাহিত্যের ভিত্তি। শেক্সপিয়ারের আগে সাহিত্যে চরিত্ররা ছিল কালো বা সাদা — ভালো কিংবা মন্দ। কিন্তু শেক্সপিয়ার প্রথম দেখালেন, মানুষ কখনো সম্পূর্ণ ভালো নয়, আবার কখনো সম্পূর্ণ মন্দ নয়। হ্যামলেট তার পিতার হত্যার প্রতিশোধ নিতে চায়, কিন্তু তার বিবেক তাকে থামিয়ে দেয়। ম্যাকবেথ রাজা হতে চায়, কিন্তু তার ভেতরে নৈতিকতার সংকট তাকে পাগল করে তোলে। লেডি ম্যাকবেথ স্বামীকে খুনে উৎসাহিত করে, কিন্তু পরে অপরাধবোধে সে নিজেই ভেঙে পড়ে। ক্লিওপেট্রা অ্যান্টনিকে ভালোবাসে, কিন্তু ক্ষমতার মোহ তাকে ত্যাগ করতে দেয় না। এই ধরনের চরিত্রায়ণ সাহিত্যের ইতিহাসে ছিল এক যুগান্তকারী পরিবর্তন, যার প্রভাব আজও টলস্টয়, দস্তয়েভস্কি, আইবসেন, চেখভ, এমনকি আধুনিক ঔপন্যাসিকদের রচনায় স্পষ্ট।
শেক্সপিয়ারের প্রভাব শুধু ইংরেজি সাহিত্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা ছড়িয়ে পড়েছে গোটা পৃথিবীর সাংস্কৃতিক বুননে। জার্মানিতে গ্যেটে তাকে বলেছিলেন "মেধার অলৌকিক প্রতিভা" এবং জার্মান রোমান্টিসিজম আন্দোলনে শেক্সপিয়ারের নাটকগুলো ছিল প্রধান অনুপ্রেরণা। লেসিং থেকে শিলার পর্যন্ত জার্মান সাহিত্যের প্রায় প্রতিটি মহীরুহ শেক্সপিয়ার পড়ে প্রভাবিত হয়েছেন। ফ্রান্সে ভলতেয়ার, ভিক্টর হুগো ও স্টেনডাল তাকে নিয়ে আলোচনা করেছেন, এবং ফরাসি নাট্যকলায় শেক্সপিয়ারের প্রভাব আজও বিদ্যমান। রাশিয়ায় পুশকিন, দস্তয়েভস্কি, টলস্টয় — সবার প্রিয় ছিল শেক্সপিয়ারের নাটক, আর দস্তয়েভস্কি তো বলেই ফেলেছিলেন, ইংরেজি সাহিত্যে শেক্সপিয়ারের সমতুল্য কেউ নেই। স্পেনে লোপে দে ভেগা ও ক্যালডেরন, ইতালিতে ফসকোলো ও লেওপার্দি, নরওয়েতে ইবসেন — সবাই শেক্সপিয়ারের শিল্পদর্শনকে আপন করে নিয়েছেন।
ভারতীয় উপমহাদেশেও শেক্সপিয়ারের প্রভাব গভীর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার প্রবন্ধে ও নাটকে শেক্সপিয়ারের শিল্পভাষ্য নিয়ে আলোচনা করেছেন, এবং তার কয়েকটি নাটকে শেক্সপিয়ারীয় চরিত্রায়ণের ছোঁয়া স্পষ্ট। বাংলা রঙ্গমঞ্চে শেক্সপিয়ারের নাটক অনুবাদ ও রূপান্তর করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত, গিরিশচন্দ্র ঘোষ, অমৃতলাল বসু প্রমুখ, যারা বাংলা নাটকের নতুন যুগের সূচনা করেন। হিন্দি ও উর্দু নাট্যকলায়ও শেক্সপিয়ারের প্রভাব কম নয়। শেক্সপিয়ার ১০০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছেন, এবং পৃথিবীতে তার বই বিক্রি হয়েছে ২০০ কোটি থেকে ৪০০ কোটি কপি, যা সংখ্যায় কেবল বাইবেলের সাথে তুলনীয়। এই পরিসংখ্যান শুধু সংখ্যা নয়, এই সংখ্যার ভেতরে লুকিয়ে আছে কোটি কোটি মানুষ, যারা শেক্সপিয়ারের ভাষায় নিজেদের জীবনকে খুঁজে পেয়েছে।
হলিউডের জন্মের পর থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ৭৫০টিরও বেশি সিনেমা শেক্সপিয়ারের নাটক থেকে তৈরি হয়েছে। ওয়েস্ট সাইড স্টোরি এসেছে রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট থেকে, দ্য লায়ন কিং এসেছে হ্যামলেটের ছায়ায়, ১০ থিংস আই হেট অ্যাবাউট ইউ এসেছে দ্য টেমিং অফ দ্য শ্রু থেকে, রোশনোমোন ম্যাকবেথের প্রভাব বহন করে, আর থ্রোন অফ ব্লাড (ম্যাকবেথ-অবলম্বিত জাপানি চলচ্চিত্র) শেক্সপিয়ারীয় ট্র্যাজেডির অনন্য নিদর্শন। বলিউডেও শেক্সপিয়ারের ছোঁয়া আছে — বিশাল ভরদ্বাজের মকবুল (ম্যাকবেথ), হায়দার (হ্যামলেট), ওমকারার রামলীলা (রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট), সঞ্জয় লীলা বনসালির গোলিয়ন কি রাসলীলা রাম-লীলা (রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েটের আরেক রূপায়ণ)। গেম অফ থ্রোনস, জেমস বন্ড, দ্য গডফাদার — আধুনিক কালজয়ী সব রচনাতেই শেক্সপিয়ারীয় চরিত্রায়ণ, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও মানবিক ট্র্যাজেডির ছাপ স্পষ্ট।
কিন্তু শেক্সপিয়ার কেন আজও এত প্রাসঙ্গিক? কারণ তিনি এমন কিছু থিম নিয়ে লিখেছেন, যা কোনোদিন পুরনো হবে না। প্রেম, ক্ষমতা, প্রতিশোধ, ঈর্ষা, পরিচয়, বিশ্বাসঘাতকতা, ক্ষমা, মৃত্যু — এই থিমগুলো মানবজীবনের শাশ্বত সত্য, যা যুগ পরিবর্তনের সাথে বদলায় না। রোমিও আর জুলিয়েট আজও পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রেমের গল্প, কারণ প্রেমের আকাঙ্ক্ষা মানুষের হৃদয়ে চিরকালীন। ম্যাকবেথ আজও ক্ষমতার লোভের সবচেয়ে বড় দৃষ্টান্ত, কারণ ক্ষমতার প্রতি মানুষের টান কোনোদিন কমবে না। হ্যামলেটের দ্বিধা আজও মানুষকে ভাবায়, কারণ সিদ্ধান্তহীনতা মানবমনের এক সর্বজনীন সমস্যা। ওথেলোর ঈর্ষা আজও সম্পর্ক ধ্বংস করে, কারণ সন্দেহ মানুষের হৃদয়ে এক চিরস্থায়ী বিষ। শেক্সপিয়ার মানুষের আত্মার গভীরে ঢুকে পড়েছিলেন, এবং সেখান থেকেই তিনি তুলে এনেছেন এমন সব সত্য, যা কোনো যুগে, কোনো সভ্যতায়, কোনো ভাষায় বদলায় না।
শেক্সপিয়ার সম্পর্কে নানা বিতর্কও আছে, যা অস্বীকার করার উপায় নেই। অনেক গবেষক প্রশ্ন তুলেছেন, একজন সাধারণ গ্লাভস নির্মাতার ছেলে, যিনি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যাননি, তিনি কীভাবে এত গভীর জ্ঞান অর্জন করলেন — ল্যাটিন, গ্রিক, ইতিহাস, আইন, রাজনীতি, দর্শন, ভূগোল সব বিষয়ে? এই সন্দেহ থেকে জন্ম নিয়েছে "শেক্সপিয়ার Authorship Question", যেখানে অনেকে দাবি করেন অক্সফোর্ডের ১৭তম আর্ল এডওয়ার্ড ডি ভিয়ার, অথবা ক্রিস্টোফার মার্লো, অথবা ফ্রান্সিস বেকন — কেউ একজন শেক্সপিয়ারের নামে লিখেছেন। কিন্তু অধিকাংশ পণ্ডিত, ইতিহাসবিদ ও গবেষক এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন, কারণ সমসাময়িক নথিপত্র, তার সহকর্মীদের সাক্ষ্য, প্রথম ফোলিওর ভূমিকা — সবই প্রমাণ করে শেক্সপিয়ারই এই রচনাগুলোর একমাত্র স্রষ্টা। আরেকটি সমালোচনা হলো তার নাটকে লিঙ্গবৈষম্য ও বর্ণবাদের উপস্থিতি, যা সত্য, কিন্তু তিনি তার সময়ের সন্তান ছিলেন, এবং সেই সময়ের সামাজিক বাস্তবতাই তার রচনায় প্রতিফলিত হয়েছে।
শেক্সপিয়ারের উত্তরাধিকার কেবল সাহিত্যে সীমাবদ্ধ নয়, তা প্রসারিত হয়েছে শিক্ষা, দর্শন, মনোবিজ্ঞান, রাজনীতি, এমনকি আধুনিক নিউরোসায়েন্স পর্যন্ত। তার চরিত্র বিশ্লেষণ আজও মনোবিজ্ঞানের গবেষণার বিষয়। তার নাটকগুলো আজও বিশ্বের প্রতিটি নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয়। তার ভাষা আজও ইংরেজি সাহিত্যের পাঠক্রমের কেন্দ্রবিন্দু। তার সনেটগুলো আজও প্রেম ও সময়ের সম্পর্ক নিয়ে সবচেয়ে গভীর দার্শনিক ভাবনা হিসেবে বিবেচিত। তার নাটকীয় কৌশল — সলিলকোয়ি, ড্রামাটিক আয়রনি, মেটাফোর, সিম্বলিজম — আজও নাট্যকর্মীদের অনুপ্রেরণা। বেঞ্চ জনসন তার প্রথম ফোলিওর ভূমিকায় লিখেছিলেন, "শেক্সপিয়ার যুগের জন্য নন, সব যুগের জন্য।" এই একটি বাক্যই সম্ভবত শেক্সপিয়ারের মহত্ত্বের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ও সঠিক মূল্যায়ন।
শেষ বিচারে, শেক্সপিয়ার মানে কেবল কিছু নাটক বা কবিতা নয়। শেক্সপিয়ার মানে ইংরেজি ভাষার ভিত্তি, আধুনিক নাটকের জনক, চরিত্রায়ণের মাস্টার, গোটা পৃথিবীর সাহিত্যের অনুপ্রেরণা, এবং চারশো বছর পরেও প্রাসঙ্গিক এক নাম। শেক্সপিয়ার মানে সেই আয়না, যেখানে মানুষ নিজেকে দেখে, চেনে, আর বুঝে। শেক্সপিয়ার মানে সেই কণ্ঠস্বর, যা মানবসভ্যতার সমস্ত সুখ, দুঃখ, প্রেম, ঘৃণা, আশা, হতাশা, জন্ম ও মৃত্যুকে একসাথে ধারণ করে। তিনি কোনো এক দেশের, এক যুগের, এক ভাষার লেখক নন — তিনি সমগ্র মানবজাতির আত্মার কবি, যিনি কাগজের পাতায় মানুষের চিরকালীন গল্প লিখে গেছেন। আর সেই গল্প কোনোদিন শেষ হবে না, কারণ মানুষ কোনোদিন নিজের গল্প বলা বন্ধ করবে না।
মস্তিষ্কের নিজস্ব মানচিত্র তৈরি করে কমানো যাবে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা?
পরবর্তীআগাথা ক্রিস্টি: সেই নারী, যিনি মানবমনের অন্ধকার প্রকোষ্ঠকে রহস্যের আলোয় উদ্ভাসিত করেছিলেন
সম্পর্কিত সংবাদ
বাংলা শিক্ষা
‘গাইড বইওয়ালারা সাবধানে থাকবেন, এবার ধরা খাবেন’: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলা শিক্ষা
নভেম্বরের শুরুতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা তিন দিনের ছুটি

বাংলা শিক্ষা
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ৩১ অক্টোবর, পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ নভেম্বর থেকে
বাংলা শিক্ষা
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু ৮ ডিসেম্বর, চলবে চার দিন
বাংলা শিক্ষা
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু ৮ ডিসেম্বর, চলবে চার দিন

বাংলা শিক্ষা
বিটিসির মাধ্যমে কলেজে ভর্তি শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনে নতুন নির্দেশনা
মন্তব্য
অনুমোদিত মন্তব্য এখানে দেখা যাবে। নতুন মন্তব্য পর্যালোচনার পর প্রকাশ হয়।
- এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
