ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার: পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা আশার প্রতীক
Biggest wonders of the world
Editorial Team২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১২:০০ PM৬ ভিউ৭ মিনিট পড়া
শেয়ার:

যে মূর্তি সারা দুনিয়াকে আলিঙ্গন করে
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার শুধু একটি মূর্তি নয়; এটি একটি বিশ্বাসের প্রতীক, একটি জাতির আশা, আর একটি শহরের পরিচয়। ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরে কর্কোভাডো পর্বতের চূড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা এই বিশাল যিশু খ্রিস্টের মূর্তিটি বিশ্বের নতুন সপ্তাশ্চর্যের একটি হিসেবে ২০০৭ সালে নির্বাচিত হয়। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ পর্যটক ও তীর্থযাত্রী সারা দুনিয়া থেকে এই "আশার প্রতীক" দেখতে আসেন।
কিন্তু ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার সম্পর্কে অনেক তথ্য আমরা জানি না। এটি কে তৈরি করেছিলেন? কেন তৈরি করা হয়েছিল? কত সময় লেগেছিল? কীভাবে এত উঁচুতে এত ভারী মূর্তি তৈরি হলো? আর কেন এটি আজও সারা দুনিয়াকে মুগ্ধ করে? এই লেখায় আমরা সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজব।
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার কী ও কোথায় অবস্থিত
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরে অবস্থিত। এটি কর্কোভাডো (Corcovado) পর্বতের চূড়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭০০ মিটার উঁচুতে দাঁড়িয়ে আছে। "কর্কোভাডো" শব্দের অর্থ "কুঁজো", কারণ পর্বতটি দেখতে কুঁজোর মতো। মূর্তিটি টিজুকা ন্যাশনাল পার্ক-এর ভিতরে অবস্থিত, যা রিও ডি জেনিরোর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সংরক্ষণ এলাকা।
মূর্তিটির উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার, আর ভিত্তিসহ মোট উচ্চতা প্রায় ৩৮ মিটার। এর ওজন প্রায় ১,১৪৫ টন। মূর্তিটির দুই হাতের বিস্তার প্রায় ২৮ মিটার। এই বিশাল আকারের কারণে সারা দুনিয়া থেকে এটি সহজে দেখা যায়।
কে তৈরি করেছিলেন: হেইতর দা সিলভা কোস্টা
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার তৈরি করেছিলেন ব্রাজিলীয় প্রকৌশলী হেইতর দা সিলভা কোস্টা (Heitor da Silva Costa)। তিনি ছিলেন এই প্রকল্পের প্রধান স্থপতি ও প্রকৌশলী। তাঁর সাথে ছিলেন ফরাসি ভাস্কর পল ল্যান্ডোস্কি (Paul Landowski), যিনি মূর্তির মুখ ও হাতের নকশা তৈরি করেছিলেন। এছাড়া ছিলেন রোমানীয় ভাস্কর গিওর্গে লিওনিদা (Gheorghe Leonida), যিনি মূর্তির মুখটি খোদাই করেছিলেন।
মূর্তিটি তৈরির ধারণা প্রথম আসে ১৮৫০-এর দশকে, যখন ক্যাথলিক পুরোহিত পেদ্রো মারিয়া বস পর্বতের চূড়ায় একটি ধর্মীয় স্মৃতিস্তম্ভ তৈরির প্রস্তাব দেন। কিন্তু সেই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়নি। ১৯২১ সালে রিও ডি জেনিরোর ক্যাথলিক সার্কেল আবার এই ধারণা উত্থাপন করে। এরপর ১৯২২ সালে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়।
কেন তৈরি করা হয়েছিল: বিশ্বাস ও জাতীয় গর্ব
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার তৈরি করা হয়েছিল মূলত ধর্মীয় উদ্দেশ্যে। ব্রাজিলের ক্যাথলিক সম্প্রদায় চেয়েছিল রিও ডি জেনিরো শহরে একটি বিশাল ধর্মীয় স্মৃতিস্তম্ভ থাকুক, যা শহরের আকাশরেখায় দাঁড়িয়ে সারা দুনিয়াকে যিশুর ভালোবাসার বার্তা দেবে।
মূর্তিটি আরও তৈরি করা হয়েছিল জাতীয় গর্বের প্রতীক হিসেবে। ব্রাজিল চেয়েছিল সারা দুনিয়াকে দেখাতে যে তারাও বিশাল কিছু তৈরি করতে পারে। ১৯২২ সালে ব্রাজিলের স্বাধীনতার শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে এই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়।
মূর্তিটির নাম "ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার" বা "মুক্তিদাতা খ্রিস্ট" রাখা হয়, কারণ খ্রিস্টান বিশ্বাস অনুযায়ী যিশু সারা দুনিয়ার পাপের জন্য নিজের জীবন দিয়ে মানবজাতিকে মুক্তি দিয়েছেন। মূর্তিটি সেই মুক্তির প্রতীক।
কীভাবে তৈরি হলো: নয় বছরের শ্রম
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমারের নির্মাণ শুরু হয় ১৯২২ সালে এবং শেষ হয় ১৯৩১ সালে। অর্থাৎ, এটি তৈরি হতে লেগেছিল প্রায় নয় বছর। এই নয় বছরে শত শত শ্রমিক দিনরাত কাজ করেছেন।
নির্মাণে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল মূর্তির বিশাল আকার এবং পর্বতের চূড়ায় এত ভারী কাঠামো তোলা। মূর্তিটি তৈরি করা হয় প্রবলিত কংক্রিট (reinforced concrete) দিয়ে, যা সেই সময়ে একটি নতুন প্রযুক্তি ছিল। মূর্তির বাইরের স্তরটি তৈরি করা হয় সাবান পাথর (soapstone) দিয়ে, যা ব্রাজিলের Minas Gerais রাজ্য থেকে আনা হয়েছিল।
মূর্তির বিভিন্ন অংশ তৈরি করা হয়েছিল পৃথকভাবে, তারপর সেগুলো পর্বতের চূড়ায় নিয়ে জোড়া লাগানো হয়। এই কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল একটি বিশেষ রেলপথ, যা পর্বতের চূড়ায় মালামাল পরিবহন করত। শ্রমিকরা রেলপথে করে কংক্রিট, পাথর, লোহা—সবকিছু উপরে নিয়ে যেত।
মূর্তিটির ভিতরে রয়েছে একটি ইস্পাতের কাঠামো, যা মূর্তিটিকে স্থিতিশীল রাখে। এই কাঠামোটি ডিজাইন করেছিলেন ব্রাজিলীয় প্রকৌশলী হেইতর দা সিলভা কোস্টা। তিনি মূর্তিটিকে এমনভাবে ডিজাইন করেছিলেন যাতে এটি প্রবল বাতাস ও ঝড় সহ্য করতে পারে।
স্থাপত্যের বিস্ময়: আর্ট ডেকো শৈলী
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার আর্ট ডেকো শৈলীতে তৈরি। আর্ট ডেকো ছিল বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকের একটি শিল্প আন্দোলন, যা জ্যামিতিক আকার, সোজা রেখা ও সরল নকশার ওপর জোর দিত। মূর্তিটির সোজা, লম্বা শরীর, সরল মুখ, আর প্রসারিত হাত—এই সবকিছু আর্ট ডেকো শৈলীর বৈশিষ্ট্য।
মূর্তিটির মুখটি শান্ত, স্নেহময় ও করুণাময়। যিশুর চোখ সারা দুনিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে, যেন তিনি সারা দুনিয়াকে আলিঙ্গন করছেন। মূর্তিটির হাত দুটি প্রসারিত, যা ক্রুশের আকৃতি তৈরি করে। এই ভঙ্গিটি যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার প্রতীক, তবে এটি করুণা ও আশারও প্রতীক।
মূর্তিটির পোশাক বা আলখাল্লা সরল, কিন্তু সুন্দর। এর ভাঁজগুলো পাথরে খোদাই করা, যা মূর্তিটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে। মূর্তিটির পায়ের নিচে রয়েছে একটি ছোট চ্যাপেল বা প্রার্থনা কক্ষ, যা ২০০৬ সালে যোগ করা হয়।
কীভাবে এত উঁচুতে তোলা হলো: প্রকৌশলের জাদু
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার তৈরি করার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল এর বিশাল আকার এবং পর্বতের চূড়ায় এত ভারী কাঠামো তোলা। মূর্তিটির ওজন প্রায় ১,১৪৫ টন, যা একটি ছোট জাহাজের ওজনের সমান। এই ওজন পর্বতের চূড়ায় তোলা সহজ কাজ ছিল না।
মূর্তির বিভিন্ন অংশ তৈরি করা হয়েছিল পৃথকভাবে, তারপর সেগুলো পর্বতের চূড়ায় নিয়ে জোড়া লাগানো হয়। এই কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল একটি বিশেষ রেলপথ, যা পর্বতের চূড়ায় মালামাল পরিবহন করত। এই রেলপথটি কর্কোভাডো রেলওয়ে নামে পরিচিত, যা ১৮৮৪ সালে তৈরি হয়েছিল।
শ্রমিকরা রেলপথে করে কংক্রিট, পাথর, লোহা—সবকিছু উপরে নিয়ে যেত। তারপর তারা হাতে হাতে সেই মালামাল মূর্তির বিভিন্ন অংশে নিয়ে যেত। এই কাজে শত শত শ্রমিক কাজ করত। তাদের মধ্যে ছিলেন দক্ষ কারিগর, প্রকৌশলী, সাধারণ শ্রমিক।
মূর্তিটির হাত দুটি তৈরি করা হয়েছিল পৃথকভাবে, তারপর সেগুলো পর্বতের চূড়ায় নিয়ে জোড়া লাগানো হয়। হাত দুটির বিস্তার প্রায় ২৮ মিটার, যা একটি বাসের চেয়ে লম্বা। এই হাত দুটি তৈরি করতে কয়েক মাস লেগেছিল।
আলোর খেলা: দিনের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রূপ
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমারের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এটি দিনের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রূপ ধারণ করে। ভোরবেলা এটি সোনালি রঙের দেখায়। দুপুরে এটি সাদা ও উজ্জ্বল দেখায়। সন্ধ্যায় এটি গোলাপি রঙের হয়ে যায়। আর রাতে এটি আলোকিত হয়, যা সারা দুনিয়াকে আলো ছড়ায়।
মূর্তিটিতে রয়েছে বিশেষ আলোর ব্যবস্থা, যা রাতে মূর্তিটিকে আলোকিত করে। এই আলো পরিবর্তনশীল, যা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রঙ ধারণ করে। যেমন, ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা মাসে মূর্তিটি গোলাপি রঙে আলোকিত হয়।
ধর্মীয় গুরুত্ব: তীর্থযাত্রীদের কেন্দ্র
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার শুধু একটি পর্যটন আকর্ষণ নয়; এটি একটি ধর্মীয় তীর্থস্থান। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ক্যাথলিক তীর্থযাত্রী সারা দুনিয়া থেকে এই মূর্তি দেখতে আসেন। তারা মূর্তির পায়ের নিচে থাকা চ্যাপেলে প্রার্থনা করেন, মোমবাতি জ্বালান, এবং যিশুর কাছে তাদের প্রার্থনা জানান।
মূর্তিটি ব্রাজিলের ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এটি তাদের বিশ্বাসের প্রতীক, তাদের আশার প্রতীক। প্রতি বছর ডিসেম্বর ৮ তারিখে ক্যাথলিকরা "নোসা সেনহোরা দা কনসেইসাও" উৎসব পালন করেন, যা মূর্তির সাথে সম্পর্কিত।
পর্যটন ও অর্থনীতি: রিওর প্রাণ
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার রিও ডি জেনিরোর সবচেয়ে বড় পর্যটন আকর্ষণ। প্রতি বছর প্রায় ২০ লক্ষ পর্যটক এই মূর্তি দেখতে আসেন। পর্যটকরা রেলপথে বা সড়কপথে পর্বতের চূড়ায় ওঠেন, মূর্তির কাছে যান, ছবি তোলেন, সারা দুনিয়াকে দেখেন।
মূর্তিটি রিও ডি জেনিরোর অর্থনীতিতে বিশাল অবদান রাখে। পর্যটন শিল্প, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, পরিবহন—এই সব খাত মূর্তির কারণে লাভবান হয়। মূর্তিটির ছবি সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে আছে, যা রিও ডি জেনিরোর ব্র্যান্ড হিসেবে কাজ করে।
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার সম্পর্কে কিছু মিথ
প্রথম মিথ হলো "ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার সারা দুনিয়ার সবচেয়ে বড় যিশুর মূর্তি"। আসলে এটি সারা দুনিয়ার সবচেয়ে বড় আর্ট ডেকো যিশুর মূর্তি, কিন্তু সারা দুনিয়ার সবচেয়ে বড় যিশুর মূর্তি নয়। পোল্যান্ডের ক্রাইস্ট দ্য কিং মূর্তিটি এর চেয়ে বড়।
দ্বিতীয় মিথ হলো "মূর্তিটি একবারে তৈরি হয়েছিল"। আসলে মূর্তিটি পৃথক অংশে তৈরি হয়েছিল, তারপর পর্বতের চূড়ায় জোড়া লাগানো হয়েছিল। এই কাজে নয় বছর লেগেছিল।
তৃতীয় মিথ হলো "মূর্তিটি সম্পূর্ণভাবে কংক্রিট দিয়ে তৈরি"। আসলে মূর্তিটির ভিতরে ইস্পাতের কাঠামো আছে, যা মূর্তিটিকে স্থিতিশীল রাখে। বাইরের স্তরটি সাবান পাথর দিয়ে তৈরি।
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমারের শিক্ষা: যা আমাদের শেখায়
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার আমাদের শেখায়, বিশ্বাস মানুষকে বিশাল কিছু তৈরি করতে অনুপ্রাণিত করে। মূর্তিটি তৈরি করেছিল ক্যাথলিক সম্প্রদায়, যারা চেয়েছিল সারা দুনিয়াকে যিশুর ভালোবাসার বার্তা দিতে। তাদের বিশ্বাসই এই বিশাল সৃষ্টির পিছনে শক্তি ছিল।
মূর্তিটি আরও শেখায়, প্রকৌশল ও শিল্প একসাথে কাজ করতে পারে। মূর্তিটির ডিজাইন করেছিলেন প্রকৌশলী ও ভাস্কর, যারা মিলে একটি অমর সৃষ্টি তৈরি করেছিলেন।
মূর্তিটি আমাদের সতর্কও করে, আশা কখনো হারানো যায় না। রিও ডি জেনিরো শহর অনেক সমস্যার মুখোমুখি, কিন্তু মূর্তিটি সবসময় শহরের ওপর দাঁড়িয়ে সারা দুনিয়াকে আলিঙ্গন করে। এটি আশার প্রতীক, যা মানুষকে এগিয়ে যেতে সাহস দেয়।
উপসংহার: পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা আশার প্রতীক
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার কেবল একটি মূর্তি নয়; এটি একটি বিশ্বাসের প্রতীক, একটি জাতির গর্ব, আর একটি ইতিহাসের অমর সাক্ষী। ব্রাজিলের ক্যাথলিক সম্প্রদায় এই মূর্তি তৈরি করেছিল সারা দুনিয়াকে যিশুর ভালোবাসার বার্তা দিতে; কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় এটি হয়ে উঠেছে সারা দুনিয়ার অন্যতম বিস্ময়।
আজ সারা দুনিয়া যখন এই বিশাল মূর্তির দিকে তাকায়, তখন তারা কেবল পাথরের ইমারত দেখে না; তারা দেখে বিশ্বাস, দেখে শ্রম, দেখে শিল্প। তারা দেখে কীভাবে একটি জাতি তার বিশ্বাসকে পাথরে অমর করে রেখেছে।
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার সেই অমর বিশ্বাসের প্রতীক—কর্কোভাডো পর্বতের চূড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা এক চিরন্তন গল্প।
সম্পর্কিত সংবাদ
বাংলা শিক্ষা
‘গাইড বইওয়ালারা সাবধানে থাকবেন, এবার ধরা খাবেন’: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলা শিক্ষা
নভেম্বরের শুরুতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা তিন দিনের ছুটি

বাংলা শিক্ষা
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ৩১ অক্টোবর, পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ নভেম্বর থেকে
বাংলা শিক্ষা
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু ৮ ডিসেম্বর, চলবে চার দিন
বাংলা শিক্ষা
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু ৮ ডিসেম্বর, চলবে চার দিন

বাংলা শিক্ষা
বিটিসির মাধ্যমে কলেজে ভর্তি শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনে নতুন নির্দেশনা
মন্তব্য
অনুমোদিত মন্তব্য এখানে দেখা যাবে। নতুন মন্তব্য পর্যালোচনার পর প্রকাশ হয়।
- এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
