শহীদ অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য: যে আলো অকালে নিভে গেল
অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য

শহীদ বুদ্ধিজীবী বলতে আমরা সাধারণত ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর যাদের হারিয়েছি, তাদের কথা ভাবি। কিন্তু তার আগেই, ২৫শে মার্চের সেই গণহত্যার প্রথম রাতেই নিভে গিয়েছিল এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি আনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ প্রভাষক, মেধাবী পদার্থবিজ্ঞানী, এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করতে যাওয়া এক ব্যতিক্রমী প্রতিভার অধিকারী। তাঁর জীবন ছিল সংক্ষিপ্ত, কিন্তু সম্ভাবনা ছিল অসীম। আজ আমরা তাঁর সেই অসমাপ্ত গল্পই বলব—গবেষণার স্বপ্ন, শেষ বিদায়, আর নৃশংস হত্যার নীরব সাক্ষী হয়ে থাকা এক ইতিহাস।
শিকড়: হবিগঞ্জের জন্তরী গ্রাম থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৯৪১ সালের ৩১শে জানুয়ারি হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার জন্তরী গ্রামে জন্ম নেন অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য। পিতা দিগেন্দ্র চন্দ্র ভট্টাচার্য ছিলেন একজন স্কুলশিক্ষক—সেই সময়ে গ্রামীণ সমাজে শিক্ষকতা ছিল সম্মানের, কিন্তু আর্থিকভাবে সচ্ছলতার নয়। তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে জ্যেষ্ঠ সন্তান হিসেবে তাঁর উপর ছিল পরিবারের প্রত্যাশার বোঝা। কিন্তু তিনি কখনো সেই বোঝাকে দুর্বলতা হতে দেননি; বরং তা হয়ে উঠেছিল তাঁর পথচলার প্রেরণা।
১৯৬১ সালে নবীগঞ্জের জে.কে. উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাসের পর সিলেটের এম.সি. কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৬৩ সালে আই.এস.সি পাস করে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে—যা ছিল সে সময়ের সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক এবং মেধাবিদের পদার্পণস্থল। ১৯৬৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে সম্মান এবং ১৯৬৭ সালে ফলিত পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এই অর্জনটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ ফলিত পদার্থবিজ্ঞান তখন বাংলাদেশে তুলনামূলকভাবে নতুন এবং চ্যালেঞ্জিং একটি বিষয় ছিল।
শিক্ষকতা ও গবেষণা: অল্প সময়ে গভীর ছাপ
১৯৬৮ সালে মাত্র ২৭ বছর বয়সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন অনুদ্বৈপায়ন। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি একজন দক্ষ ও প্রিয় শিক্ষক হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করেন। তাঁর ক্লাসে উপস্থিত থাকার জন্য ছাত্ররা উৎসুক থাকত—কারণ তিনি যেমন গভীরতা বজায় রাখতেন, তেমনি বিষয়টিকে সহজবোধ্য করে তোলার কৌশলও জানতেন।
এরপর ১৯৬৯ সালে জগন্নাথ হলের সহকারী আবাসিক শিক্ষকের দায়িত্ব পান। এই দায়িত্বটি তাঁকে ছাত্রদের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে। হলের ছাত্ররা তাঁকে শুধু শিক্ষক নয়, একজন অভিভাবক ও বন্ধু হিসেবে পেত। তিনি ছাত্রদের পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের ব্যক্তিগত সমস্যারও সমাধান করতে চেষ্টা করতেন। এই অভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে তাঁর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দেয়।
পিএইচডির স্বপ্ন ও কলম্বো প্ল্যান বৃত্তি
শিক্ষকতা ও গবেষণার প্রতি তাঁর আগ্রহ তাঁকে আরও উচ্চশিক্ষার পথে ধাবিত করে। ছাত্রজীবনের অসাধারণ কৃতিত্ব এবং পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি কলম্বো প্ল্যান-এর অধীনে উচ্চশিক্ষা বৃত্তি লাভ করেন। এই বৃত্তি কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলির মধ্যে শিক্ষার্থী বিনিময়ের জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক একটি সুযোগ। তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার সুযোগ পান—যা সে সময় বাংলাদেশের একজন তরুণ শিক্ষকের জন্য ছিল বিরল ও গৌরবময় অর্জন।
তার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। টিকিট কাটা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, গবেষণার প্রস্তাবনা—সবই চূড়ান্ত। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ লন্ডনের ফ্লাইট ধরার কথা ছিল। নতুন দেশে নতুন গবেষণা প্রকল্প, অজানা অধ্যাপকদের সঙ্গে কাজ করার উত্তেজনা, ফিরে এসে দেশে বিজ্ঞান চর্চার নতুন ভিত্তি স্থাপনের স্বপ্ন—সব মিলিয়ে এক রোমাঞ্চকর অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছিল তাঁর জীবনে।
শেষবার গ্রামের বাড়ি: অনিশ্চয়তার মাঝে স্বস্তি
২০শে মার্চ তিনি শেষবারের মতো গ্রামের বাড়ি যান—হবিগঞ্জের জন্তরী গ্রামে। বাবা দিগেন্দ্র চন্দ্র ও মা রাজলক্ষ্মী দেবী পুত্রকে দেখে স্বস্তি পান; কারণ ১৯৭১ সালের মার্চের মাঝামাঝি সময়ে দেশের পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত উত্তাল। অসহযোগ আন্দোলন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ, পাকিস্তানি সামরিক শাসনের চাপ—সব মিলিয়ে এক অনিশ্চিত পরিবেশ।
ছোট ভাইবোনেরা বড় ভাইকে পেয়ে খুশি হয়েছিল। কিন্তু মায়ের অন্তর্জালে ছিল অশান্তি। ২৪শে মার্চ মা রাজলক্ষ্মী দেবী বারবার ছেলেকে বলেছিলেন, "এখন যেয়ো না বাবা, দেশে খারাপ সময়। ফ্লাইট বাদ দাও, পরে আবার যাবে।" কিন্তু অনুদ্বৈপায়ন বুঝিয়েছিলেন, "মা, ফ্লাইটের তারিখ ঠিক করে ফেলেছি। ফিরে আসব, বেশি দিন না।" তিনি জানতেন না, এই বিদায় চিরবিদায় হবে।
২৫শে মার্চ: বিদায় ও অশুভ পূর্বাভাস
২৫শে মার্চ সন্ধ্যায় অনুদ্বৈপায়ন যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে—সহকর্মী ও বন্ধুদের কাছ থেকে বিদায় নিতে। সেখানকার পরিবেশ ছিল আপাতদৃষ্টিতে স্বাভাবিক, কিন্তু অন্তর্নিহিত উত্তেজনা ছিল স্পষ্ট। এরপর তিনি যান তাঁর সহকর্মী ও বন্ধু অধ্যাপক জালালুর রহমানের বাসায়। সেখানে কিছুক্ষণ আড্ডার পর তিনি রওনা দেন জগন্নাথ হলের নিজের কক্ষে—যেখানে থাকতেন সহকারী আবাসিক শিক্ষক হিসেবে।
জালালুর রহমান পরবর্তী জীবনে বারবার সেই রাতের একটি বাক্য মনে করে কষ্ট পেয়েছেন। বিদায় নেওয়ার সময় অনুদ্বৈপায়ন বলেছিলেন—
"হলে যেতে কেন জানি ভয় করছে!"
একটি সাধারণ বাক্য, অথচ যে গভীর তাৎপর্য বহন করে, তা তখন কেউ বুঝতে পারেনি। হয়তো অন্তর্দৃষ্টি ছিল, হয়তো শুধুই অজ্ঞাত আতঙ্ক। কিন্তু ইতিহাসের বিচারে এটি প্রমাণ করে যে মৃত্যুর আগে কোনো কোনো মানুষ তার পূর্বাভাস পায়।
অপারেশন সার্চলাইট ও জগন্নাথ হলের পতন
২৫শে মার্চ রাত ১২টায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট' শুরু করে। এই অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলি—বিশেষত জগন্নাথ হল, যা ছিল সংখ্যালঘু ছাত্রদের আবাসিক কেন্দ্র। ২৫শে মার্চের গণহত্যার প্রথম পর্ব শুরু হয় জগন্নাথ হল থেকেই। পাকিস্তানি সেনারা হলের চারপাশ ঘিরে ফেলে এবং নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে।
ছাত্ররা আত্মগোপন করার চেষ্টা করে। কেউ ম্যানহোলে, কেউ ছাদের ওপর, কেউ গাছের আড়ালে। কিন্তু পাকিস্তানি সেনারা তন্ন তন্ন করে সবাইকে খুঁজে বের করছিল। সারারাত ধরে চলতে থাকে এই হত্যাযজ্ঞ। ভোর হতে না হতেই জগন্নাথ হল পরিণত হয় এক গণশ্মশানে।
অন্তিম দৃশ্য: প্রত্যক্ষদর্শীর চোখে
অনুদ্বৈপায়নের শেষ মুহূর্তগুলির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বর্ণনা পাওয়া যায় পরিমল গুহ-র কাছে—যিনি তখন জগন্নাথ হলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি জগন্নাথ হলের সার্ভেন্টস কোয়ার্টার-সংলগ্ন ম্যানহোলে প্রায় ১৯ ঘণ্টা আত্মগোপন করে ছিলেন। সেই অন্ধকার আস্তানা থেকে তিনি দেখেছিলেন নৃশংসতার চূড়ান্ত পর্যায়।
২৬শে মার্চ খুব ভোরে পাকিস্তানি সেনারা অনুদ্বৈপায়নকে বন্দী করে। তাঁকে হাতবেঁধে নিয়ে আসা হয় জগন্নাথ হলের সংসদ ভবনের সামনে। একটি ফাঁকা জায়গায় তাঁকে উবু করে বসিয়ে রাখা হয়। পরিমল গুহ জানান, অনুদ্বৈপায়ন তখন বিড়বিড় করে কী যেন বলছিলেন—হয়তো প্রার্থনা, হয়তো মাকে শেষবারের মতো ডাকছেন। তারপর কয়েকটি গুলির শব্দ, এবং সবকিছু থেমে যায়। সেই ৩০ বছর বয়সী তরুণ শিক্ষকের জীবনাবসান হয় নির্মম গুলিতে।
তাঁর দেহ ফেলে দেওয়া হয় জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণের একটি গণকবরে—যেখানে অজ্ঞাত আরও অনেক শহীদের সঙ্গে তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত হন।
সম্ভাবনা বনাম বাস্তবতা: কী হারালাম আমরা?
অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য যদি বেঁচে থাকতেন, তাহলে বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চা হয়তো আরও একটি মাত্রা পেত। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি শেষ করে তিনি ফিরে আসতেন নতুন জ্ঞান-প্রযুক্তি নিয়ে। ফলিত পদার্থবিজ্ঞানের যে গবেষণা তখনও বাংলাদেশে প্রাথমিক পর্যায়ে ছিল, তাতে তিনি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারতেন। তিনি তৈরি করতে পারতেন এক ঝাঁক নতুন বিজ্ঞানী। তার গবেষণা ল্যাবরেটরি হতে পারত দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
কিন্তু পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী সেই সম্ভাবনাকে চিরতরে নষ্ট করে দেয়। একজন মানুষের হত্যা কেবল একটি জীবন নেয় না; এটি একটি সম্পূর্ণ গবেষণার ধারা, একটি জ্ঞানের শাখা, কয়েক ডজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ—সবকিছুকেই অসমাপ্ত রেখে দেয়। শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যা বলতে আমরা তাই শুধু একজন ব্যক্তির মৃত্যু বুঝি না, বরং একটি জাতির সম্ভাবনার হত্যা বুঝি।
স্মারক ও শ্রদ্ধা
১৯৭১ সালের সেই ভয়াল রাতের পর প্রায় এক যুগ পার হয়ে গেছে, কিন্তু অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্যের স্মৃতি এখনও বেঁচে আছে—বিভিন্ন স্মারকের মাধ্যমে।
১৯৯৫ সালের ১৪ই ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বাংলাদেশ সরকারের ডাকবিভাগ তাঁর নামে একটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে। এটি নিছক একটি ডাকটিকিট নয়; এটি একটি জাতির কৃতজ্ঞতার প্রতীক, তার সম্ভাবনাময় সন্তানের প্রতি শেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের যে পাঠাগারে তিনি হয়তো পড়াশোনা করেছেন, সেটির নাম রাখা হয়েছে 'শহীদ অনুদ্বৈপায়ন পাঠাগার'। পাঠাগারের প্রতিটি বই, প্রতিটি চেয়ার, প্রতিটি নীরব পড়ার টেবিল এখন তাঁর উপস্থিতির কথা মনে করিয়ে দেয়।
২০১৯ সালের ১৪ই ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে তাঁর নিজ জেলা হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় একটি প্রাচীরচিত্র (ম্যুরাল) নির্মাণ ও উদ্বোধন করা হয়। গ্রামের মানুষ এখনও তাঁকে মনে রাখে; তার গ্রামের বাড়িতে উঠোনে এখনও যেন তার পদচিহ্ন লেগে আছে।
শেষকথা: ইতিহাসের প্রতি দায়িত্ব
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের ইতিহাস শুধু আত্মীয়স্বজন বা গবেষকদের জন্য নয়—এটি আমাদের সবার। আমরা যে আজ স্বাধীন দেশে বিজ্ঞানচর্চা করতে পারছি, বিদেশে পড়তে যেতে পারছি, গবেষণা করতে পারছি—এর পেছনে রয়েছে সেই সব অজ্ঞাত মেধাবীদের আত্মদান যাদের সম্ভাবনাকে বলি দেওয়া হয়েছিল এক নির্মম রাতে।
আনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্যের মতো মানুষ ছিলেন সে সময়ের আলোকবর্তিকা। তাঁদের চলে যাওয়া অন্ধকার করেনি; বরং আমাদের আরও আলো জ্বালানোর দায়িত্ব দিয়েছে। বিজ্ঞানী হতে হলে, শিক্ষক হতে হলে, গবেষক হতে হলে আমাদের তাঁদের সেই অসমাপ্ত পথকেই ধরতে হবে—যদিও পথের শেষ প্রান্তে পৌঁছানো তাঁদের ভাগ্যে ছিল না, আমাদের ভাগ্যে সেটি পৌঁছানো সম্ভব।
তাই তাঁর অসমাপ্ত পিএইচডি, তাঁর চলে যাওয়া ফ্লাইট, তাঁর শেষ বিদায়—সব কিছুই এখন আমাদের অনুপ্রেরণা। আমরা যদি তাঁর স্বপ্নের বিজ্ঞানচর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যাই, তবেই তিনি সত্যিকার অর্থে অমর হবেন। ইতিহাস বলবে, আনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য বেঁচে নেই, কিন্তু তার স্বপ্ন বেঁচে আছে—প্রতিটি বিজ্ঞানী শিক্ষার্থীর মধ্যে, প্রতিটি নতুন গবেষণার মধ্যে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট): যে স্বপ্নের শুরু গণিতের খাতায়, আর শেষ হতে পারে একজন প্রকৌশলী হিসেবে
পরবর্তীদেবেন্দ্রমোহন বসু: যে পদার্থবিজ্ঞানী মহাকাশ থেকে আনা কণার রহস্য ভেদ করেছিলেন
সম্পর্কিত সংবাদ
জীবনী ও সাক্ষাৎকার
লীলা মজুমদার: শিশুসাহিত্যের যে অভিভাবক ‘টংলিং’ আর ‘হলদে পাখির পালক’-এ বাংলার ছোটদের স্বপ্নের রাজ্য গড়ে দিলেন
জীবনী ও সাক্ষাৎকার
আশাপূর্ণা দেবী: যে গৃহবধূ কলমের জোরে বাংলা সাহিত্যে এক বিপ্লব ঘটিয়ে গেলেন
জীবনী ও সাক্ষাৎকার
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়: রাঢ়বাংলার মাটি-মানুষের সেই মহাকথাকার, যিনি সাহিত্যের জগতে এক নতুন বিশ্ব গড়ে তুলেছিলেন

জীবনী ও সাক্ষাৎকার
বিষ্ণু দে: আধুনিকতার কঠিন পথে যে কবি দুর্গমতার মধ্যে সুরের সন্ধান পেয়েছিলেন

জীবনী ও সাক্ষাৎকার
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত: ধ্রুপদী রীতির কবি, যে নির্মাণ করেছিলেন আধুনিকতার এক কঠিন দুর্গ
জীবনী ও সাক্ষাৎকার
বুদ্ধদেব বসু: আধুনিকতার অগ্রদূত, যে 'কবিতাভবন' বাংলা সাহিত্যকে নতুন ঠিকানা দিয়েছিল
মন্তব্য
অনুমোদিত মন্তব্য এখানে দেখা যাবে। নতুন মন্তব্য পর্যালোচনার পর প্রকাশ হয়।
- এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
