একাদশে ভর্তি শুরু হতে পারে ২ সেপ্টেম্বর: ২৫ লাখ আসনের দেশে লড়াই হবে পছন্দের কলেজের জন্য
প্রথম ধাপে আবেদন ২ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর, পুনর্নিরীক্ষায় ফল পরিবর্তন হলে থাকছে আরেক দফা সুযোগ; ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর প্রস্তাব
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দেশের লাখো শিক্ষার্থীর সামনে এখন একটাই বড় প্রশ্ন—কোন কলেজে ভর্তি হওয়া যাবে?
সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে আগামী ২ সেপ্টেম্বর। শিক্ষা বোর্ডগুলোর সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ওই দিন থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইন আবেদন শুরু হয়ে চলতে পারে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু করারও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তবে এখনো চূড়ান্ত হয়নি সময়সূচি। শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রস্তাবটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পাওয়ার পরই প্রকাশ করা হবে একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা ও চূড়ান্ত সময়সূচি।
কিন্তু এবারের একাদশ শ্রেণির ভর্তি নিয়ে আলোচনা শুধু আবেদন শুরুর তারিখ ঘিরে নয়। পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশের উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থায় আবারও দেখা যাচ্ছে এক অদ্ভুত বৈপরীত্য।
একদিকে দেশের কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে একাদশ শ্রেণিতে রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ আসন। অন্যদিকে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী। অর্থাৎ উত্তীর্ণ প্রত্যেক শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হলেও বিপুলসংখ্যক আসন খালি থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে সম্ভাব্য খালি আসনের হিসাব ১৩ লাখেরও বেশি বলা হয়েছে।
তবু এই বিপুল আসনের দেশে ভর্তি নিয়ে প্রতিযোগিতা কমবে না। কারণ, সব আসন সমানভাবে কাঙ্ক্ষিত নয়।
২৫ লাখ আসন, তবু পছন্দের কলেজ নিয়ে প্রতিযোগিতা
বাংলাদেশের একাদশ শ্রেণির ভর্তি বাস্তবতায় সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য সম্ভবত এখানেই।
সারা দেশে আসনের সংখ্যা শিক্ষার্থীর তুলনায় অনেক বেশি হলেও রাজধানী ও বড় শহরের কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ সীমিত। ফলে ভালো ফল করা শিক্ষার্থীদের মধ্যেও পছন্দের কলেজ পাওয়ার প্রতিযোগিতা তীব্র হতে পারে।
এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এক লাখের বেশি শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। কিন্তু দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রতিষ্ঠিত কলেজগুলোর আসনসংখ্যা সেই তুলনায় সীমিত। ফলে মোট আসন ফাঁকা থাকলেও প্রত্যেক শিক্ষার্থী যে নিজের প্রথম পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
অর্থাৎ, এবারের ভর্তি প্রক্রিয়ায় বড় প্রশ্ন শুধু “কলেজে আসন পাওয়া যাবে কি না” নয়। বরং প্রশ্ন হলো—“পছন্দের কলেজ পাওয়া যাবে কি না।”
এই বাস্তবতা নতুন নয়। গত বছরও দেশের মোট একাদশ শ্রেণির আসনের বড় একটি অংশ খালি ছিল। শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রায় ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশ আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিল এবং ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ আসন খালি ছিল। এবার পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও কম হওয়ায় খালি আসনের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ২ সেপ্টেম্বর—কেন এগিয়ে আনা হলো ভর্তি?
শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ভর্তি আবেদন শুরু করা। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী পুরো ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরুর সম্ভাব্য সময় ধরা হয়েছিল ১২ নভেম্বর।
কিন্তু সেই দীর্ঘ সময়সূচিতে সায় দেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একাডেমিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং শিক্ষার্থীদের সময়ের ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যেই ভর্তি ও ক্লাস শুরুর সময় এগিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর পরই শিক্ষা বোর্ডগুলো নতুন সময়সূচি তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। নতুন প্রস্তাবে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই আবেদন শুরু এবং সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে ক্লাস শুরুর কথা বলা হয়েছে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, ভর্তি নীতিমালা নিয়ে কাজ চলছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একাডেমিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।
আবেদন এক ধাপেই শেষ করার পরিকল্পনা?
এবারের ভর্তি প্রক্রিয়ায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসতে পারে আবেদন ধাপের সংখ্যায়।
সাধারণত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি আবেদন কয়েকটি ধাপে নেওয়া হয়। অতীতে শিক্ষার্থীরা একাধিক পর্যায়ে আবেদন, ফল প্রকাশ, নিশ্চয়ন এবং মাইগ্রেশনের সুযোগ পেয়েছে। আসন খালি থাকলে অতিরিক্ত ধাপও চালু করা হয়েছে।
তবে সময় কমাতে এবার প্রাথমিকভাবে এক ধাপে মূল আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথম পর্যায়ে একবার আবেদন নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে এবং আগের মতো নিয়মিত মাইগ্রেশনের সুযোগ নাও থাকতে পারে। তবে চূড়ান্ত ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
এর অর্থ, শিক্ষার্থীদের কলেজ পছন্দের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে এবার আরও সতর্ক হতে হতে পারে।
কারণ, পছন্দক্রমে ভুল হলে বা শুধু কয়েকটি অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ কলেজকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবসম্মত বিকল্প না রাখলে পরে সমস্যা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে।
পুনর্নিরীক্ষায় ফল পরিবর্তন হলে থাকছে সুযোগ
যেসব শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করেছে এবং পরে যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তাদের জন্য আলাদা আবেদনের সুযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, তারা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর আবেদন করার সুযোগ পেতে পারে। এছাড়া কোনো শিক্ষার্থী প্রথম পর্যায়ে আবেদন থেকে বাদ পড়লে, নিশ্চয়ন না করলে বা অন্য কোনো কারণে কলেজে মনোনয়ন না পেলে পরবর্তী সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও নীতিমালায় বিবেচনায় রয়েছে।
ভর্তি পরীক্ষা নয়, সিদ্ধান্ত হবে ফল ও পছন্দক্রমে
এবারও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ফল, কলেজ পছন্দক্রম এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় নিয়ে তাকে ভর্তির জন্য মনোনীত করা হবে।
এখানেই পছন্দক্রম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
একজন শিক্ষার্থী যত ভালো ফলই করুক না কেন, তার পছন্দের তালিকায় থাকা কোনো কলেজে আসন সীমিত হলে অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাকে প্রতিযোগিতায় পড়তে হবে। অন্যদিকে, তুলনামূলক কম জনপ্রিয় অনেক কলেজে আসন ফাঁকা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
ফলে এবারের ভর্তি প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের সামনে একই সঙ্গে দুটি বাস্তবতা থাকবে—একদিকে আসনের প্রাচুর্য, অন্যদিকে পছন্দের প্রতিষ্ঠানের জন্য তীব্র প্রতিযোগিতা।
১৮ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী, পাস ১১ লাখের কিছু বেশি
গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল অনুযায়ী, দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।
এই সংখ্যার সঙ্গে একাদশ শ্রেণির প্রায় ২৫ লাখ আসনের তুলনা করলেই উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার একটি বড় চিত্র সামনে আসে।
আসনের ঘাটতি নয়, বরং দেশের বহু কলেজ ও মাদ্রাসায় এখন প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী না পাওয়া।
তবে এই হিসাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকও রয়েছে। এসএসসি পাস করা সব শিক্ষার্থী শেষ পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হবে না। কেউ কারিগরি শিক্ষায় যাবে, কেউ কর্মজীবনে প্রবেশ করবে, কেউ পারিবারিক বা আর্থিক কারণে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবে না। ফলে সাধারণ কলেজ ও মাদ্রাসার বাস্তব খালি আসনের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি আবার কেন্দ্রীয় একাদশ শ্রেণির ভর্তি ব্যবস্থার বাইরে আলাদাভাবে পরিচালিত হবে।
খালি আসন বাড়ছে, কিন্তু সংকট কি শুধু শিক্ষার্থীর সংখ্যায়?
বাংলাদেশে একাদশ শ্রেণির ভর্তি নিয়ে আলোচনায় সাধারণত নামী কলেজে ভর্তি প্রতিযোগিতাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। কিন্তু সারাদেশের চিত্র দেখলে প্রশ্নটি আরও বড়।
কেন এত কলেজে আসন খালি থাকে?
শিক্ষার্থীরা কি নির্দিষ্ট কয়েকটি শহর ও প্রতিষ্ঠানের দিকে বেশি ঝুঁকছে? নাকি জনসংখ্যা ও শিক্ষার্থীর সংখ্যার তুলনায় প্রতিষ্ঠান ও আসন বেড়েছে? শিক্ষার মান, শিক্ষকসংকট, অবকাঠামো, যাতায়াতব্যবস্থা এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম—এসব বিষয়ও শিক্ষার্থীর কলেজ নির্বাচনে বড় ভূমিকা রাখে।
ফলে প্রায় ২৫ লাখ আসন থাকার বিষয়টি কেবল “পর্যাপ্ত আসন আছে” বলে দেখলে পুরো চিত্রটি ধরা পড়ে না।
একটি ভালো কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ সীমিত, কিন্তু অন্যদিকে এমন অসংখ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেখানে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থীই পাওয়া যাচ্ছে না।
এই দুই বাস্তবতার মাঝখানেই শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির ভর্তি প্রক্রিয়া।
শিক্ষার্থীদের এখন কী করতে হবে?
চূড়ান্ত নীতিমালা এখনো প্রকাশ হয়নি। তাই শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুসরণ করা।
চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশের পর আবেদন শুরুর ও শেষের তারিখ, আবেদন ধাপ, কলেজ পছন্দের সংখ্যা, নিশ্চয়ন প্রক্রিয়া এবং বিশেষ ক্ষেত্রে পুনরায় আবেদনের নিয়ম বিস্তারিতভাবে জানা যাবে।
তবে বর্তমান প্রস্তাব অনুযায়ী সবকিছু এগোলে—
- ২ সেপ্টেম্বর: অনলাইন আবেদন শুরু হতে পারে
- ১০ সেপ্টেম্বর: প্রথম দফার আবেদন শেষ হতে পারে
- ১২-১৩ সেপ্টেম্বর: পুনর্নিরীক্ষায় ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের আবেদনের সুযোগ থাকতে পারে
- ২০-২২ সেপ্টেম্বর: নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার প্রস্তাব রয়েছে
- ২৩ সেপ্টেম্বর: একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হতে পারে
এই তারিখগুলো এখনো প্রস্তাবিত, তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে পরিবর্তন হতে পারে।
এবারের একাদশ শ্রেণির ভর্তি তাই শুধু একটি নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম নয়। প্রায় ২৫ লাখ আসনের বিপরীতে ১১ লাখের কিছু বেশি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী, বিপুলসংখ্যক সম্ভাব্য খালি আসন, আবার একই সময়ে কয়েকটি কাঙ্ক্ষিত কলেজের জন্য তীব্র প্রতিযোগিতা—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থার একটি জটিল ছবিও সামনে নিয়ে আসছে এবারের ভর্তি মৌসুম।
শেষ পর্যন্ত কার ভাগ্যে কোন কলেজ জুটবে, সেটি জানা যাবে ভর্তি ফল প্রকাশের পর। কিন্তু তার আগেই একটি বিষয় পরিষ্কার—এবার কলেজে জায়গা পাওয়ার চেয়ে পছন্দের জায়গা পাওয়ার লড়াইটাই হয়তো বেশি কঠিন হবে।
দক্ষ ও উৎপাদনশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে টিভিইটি (TVET)-কে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে গণ্য করার আহ্বান জাতীয় সংলাপে
পরবর্তীহাসান আজিজুল হক: ভাষার পরীক্ষানিরীক্ষা ও নিভৃতচারী সেই মহাকথাকার, যিনি ছোটগল্পকে আধুনিকতার অনন্য উচ্চাসনে বসিয়েছেন
সম্পর্কিত সংবাদ
নটর ডেম কলেজে ভর্তির ফল প্রকাশ, মৌখিক পরীক্ষায় যা যা আনতে হবে
ভর্তি পরীক্ষা
নটর ডেম কলেজে ভর্তির ফল প্রকাশ, মৌখিক পরীক্ষায় যা যা আনতে হবে
সেন্ট যোসেফ কলেজে একাদশে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
ভর্তি পরীক্ষা
সেন্ট যোসেফ কলেজে একাদশে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
ভর্তি পরীক্ষা
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি ক্যাম্প
ভর্তি পরীক্ষা
এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
মন্তব্য
অনুমোদিত মন্তব্য এখানে দেখা যাবে। নতুন মন্তব্য পর্যালোচনার পর প্রকাশ হয়।
- এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
