ফজলুর রহমান খান: যে বাঙালি প্রকৌশলী আকাশচুম্বী ভবনকে নতুনভাবে দাঁড়াতে শিখিয়েছিলেন
ফজলুর রহমান খান

একটি বিশাল skyscraper-এর দিকে তাকালে আমাদের চোখে প্রথমে যা ধরা পড়ে, তা হলো তার উচ্চতা।
কত তলা?
কত মিটার উঁচু?
শহরের আকাশরেখার কতটা অংশ দখল করে আছে?
কিন্তু একজন structural engineer-এর চোখে গল্পটা অন্যরকম।
তিনি হয়তো ভাববেন—
এত ভারী একটি ভবন কীভাবে নিজের ওজন বহন করছে?
শুধু নিজের ওজন নয়, বাতাসের প্রবল চাপ, ঝড়, ভূমিকম্প এবং হাজার হাজার মানুষের দৈনন্দিন চলাচলের চাপ কীভাবে একটি ভবন সামলাচ্ছে?
বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে যখন পৃথিবীর বড় শহরগুলো আরও উঁচু ভবনের দিকে এগোচ্ছিল, তখন এই সমস্যার একটি যুগান্তকারী সমাধান নিয়ে সামনে আসেন একজন বাঙালি প্রকৌশলী।
তিনি ফজলুর রহমান খান।
অনেকে তাঁকে বলেন “Father of Tubular Designs”—আধুনিক skyscraper structural design-এর অন্যতম প্রধান পথিকৃৎ। তাঁর উদ্ভাবিত structural systems শুধু ভবনকে আরও উঁচু করার সুযোগ দেয়নি; skyscraper-এর নকশা, অর্থনীতি এবং স্থাপত্যের চেহারাও বদলে দিয়েছিল।
আজ পৃথিবীর বড় বড় শহরের skyline-এর দিকে তাকালে তাঁর চিন্তার প্রভাব দেখতে পাওয়া যায়।
ঢাকার কাছে শুরু, বিশ্বজয়ের পথে
১৯২৯ সালের ৩ এপ্রিল ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন ফজলুর রহমান খান।
তাঁর বাবা খান বাহাদুর রহমান খান ছিলেন একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও শিক্ষাবিদ। ছোটবেলা থেকেই ফজলুর রহমানের পড়াশোনার প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল।
তিনি কলকাতার Presidency College-এ পড়াশোনা শুরু করেন। এরপর ঢাকার Ahsanullah Engineering College—বর্তমান Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET)—থেকে civil engineering পড়েন।
শিক্ষাজীবনেই তাঁর মেধা নজর কাড়ে।
পরবর্তীতে তিনি Fulbright Scholarship নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং University of Illinois Urbana-Champaign-এ structural engineering নিয়ে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন। তিনি সেখানে দুটি master's degree এবং পরে PhD অর্জন করেন।
কিন্তু তখনও কেউ জানত না, এই তরুণ প্রকৌশলী ভবিষ্যতে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবনগুলোর নকশার পদ্ধতিই বদলে দেবেন।
skyscraper-এর সবচেয়ে বড় সমস্যা
বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে skyscraper নির্মাণের প্রযুক্তি দ্রুত এগোচ্ছিল।
কিন্তু ভবন যত উঁচু হয়, সমস্যা তত বাড়ে।
কারণ ভবনের ওপর শুধু মাধ্যাকর্ষণের চাপ কাজ করে না।
উচ্চতার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসের চাপ একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।
একটি ২০ তলা ভবন এবং একটি ১০০ তলা ভবনের মধ্যে বাতাসের প্রভাব এক নয়।
ভবন যত উঁচু হবে, বাতাসের কারণে তার ওপর পার্শ্বীয় বা lateral force তত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
প্রকৌশলীদের তাই এমন একটি structural system দরকার ছিল, যা ভবনকে শুধু নিচ থেকে ওপরের দিকে ভার বহন করাবে না—বরং চারদিক থেকে আসা শক্তির বিরুদ্ধেও ভবনকে স্থিতিশীল রাখবে।
ফজলুর রহমান খান এই সমস্যাটিকেই নতুনভাবে দেখলেন।
ভবনের ভেতরের কাঠামো থেকে ভবনের বাইরের কাঠামো
তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধারণাগুলোর একটি ছিল tubular structural system।
সহজভাবে ভাবুন, একটি ভবনকে যেন একটি বিশাল ফাঁপা নলের মতো তৈরি করা হলো।
এই tube-এর বাইরের perimeter-এর structural elements একসঙ্গে কাজ করে ভবনের পার্শ্বীয় শক্তিকে প্রতিরোধ করবে।
অর্থাৎ ভবনের ভেতরে শুধু কয়েকটি বিশাল column বসিয়ে সব ভার সামলানোর বদলে ভবনের বাইরের কাঠামোকেই structural system-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বানানো হলো।
এই ধারণা skyscraper design-এ বড় পরিবর্তন নিয়ে আসে।
কারণ এর ফলে ভবনকে তুলনামূলকভাবে কম structural material ব্যবহার করেও অনেক বেশি উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।
আর এখানেই ফজলুর রহমান খানের বিপ্লবী অবদান।
‘Tube’ শুধু একটি নল নয়
তাঁর tubular design ধারণা পরে আরও উন্নত হয়ে বিভিন্ন structural system-এ রূপ নেয়।
এর মধ্যে ছিল—
Framed Tube
Trussed Tube
Bundled Tube
প্রতিটি system-এর উদ্দেশ্য ছিল একই ধরনের মৌলিক সমস্যার আরও কার্যকর সমাধান করা—
কীভাবে একটি অত্যন্ত উঁচু ভবনকে শক্তিশালী, স্থিতিশীল এবং অর্থনৈতিকভাবে নির্মাণ করা যায়?
এই structural innovations-এর কারণে skyscraper design-এর জগতে একটি নতুন যুগ শুরু হয়।
Chicago: যেখানে তাঁর সবচেয়ে বড় কাজগুলো দাঁড়িয়ে আছে
ফজলুর রহমান খানের পেশাগত জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে Chicago।
বিশ্বের skyscraper রাজধানীগুলোর একটি এই শহর।
এখানেই তিনি architecture ও structural engineering-এর মধ্যে একটি নতুন সম্পর্ক তৈরি করেন।
তিনি শুধু প্রকৌশলী হিসেবে ভবনের structural problem সমাধান করতেন না।
তিনি স্থপতিদের সঙ্গে কাজ করে এমন কাঠামো তৈরি করতেন, যা একই সঙ্গে ভবনকে শক্তিশালী এবং স্থাপত্যগতভাবে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে।
তাঁর কাজের ফলে structural engineering আর শুধু ভবনের ভেতরের অদৃশ্য কাঠামো হয়ে থাকল না।
কাঠামো নিজেই স্থাপত্যের অংশ হয়ে উঠল।
John Hancock Center
ফজলুর রহমান খানের অন্যতম বিখ্যাত কাজ হলো Chicago-এর John Hancock Center—বর্তমান 875 North Michigan Avenue।
১৯৬৯ সালে সম্পন্ন হওয়া এই ভবনটি প্রায় ১,১২৭ ফুট উঁচু এবং এতে ১০০টি তলা রয়েছে।
ভবনটির সবচেয়ে পরিচিত বৈশিষ্ট্য হলো বাইরের দিকে দৃশ্যমান বিশাল diagonal bracing।
দূর থেকে দেখলেও বোঝা যায়, ভবনের structural system-কে স্থাপত্যের আড়ালে লুকিয়ে রাখা হয়নি।
বরং সেটিই ভবনের চেহারার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এই ভবনে ব্যবহৃত trussed tube structural concept skyscraper engineering-এ একটি নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করে।
একটি ভবনের বাইরের diagonal structure শুধু তাকে শক্তিশালী করছে না—
সেটিই ভবনের পরিচয় হয়ে উঠেছে।
Sears Tower: যখন আকাশের সীমা আরও ওপরে
ফজলুর রহমান খানের সবচেয়ে বিখ্যাত প্রকল্প সম্ভবত Chicago-এর Sears Tower, যা বর্তমানে Willis Tower নামে পরিচিত।
১৯৭৩ সালে সম্পন্ন হওয়া ভবনটির উচ্চতা ১,৪৫০ ফুটের বেশি।
তৎকালীন সময়ে এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন হয়ে ওঠে।
কিন্তু শুধু উচ্চতার জন্য নয়, এর structural system-এর কারণেও এটি ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ।
এখানে ফজলুর রহমান খান ব্যবহার করেন bundled tube ধারণা।
সহজভাবে বলা যায়, একটি বড় tube-এর পরিবর্তে কয়েকটি structural tube-কে একসঙ্গে bundle করে একটি শক্তিশালী structural system তৈরি করা হয়।
এর ফলে ভবনকে আরও বেশি উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় এবং একই সঙ্গে বিভিন্ন উচ্চতায় ভবনের আকৃতিতেও পরিবর্তন আনা যায়।
Sears Tower-এর ধাপে ধাপে কমে যাওয়া আকৃতি তাই শুধু aesthetic design নয়।
এর পেছনে রয়েছে structural logic।
কাঠামো এবং সৌন্দর্য এখানে একই জিনিসের দুটি দিক।
কেন tubular design এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল?
এখানে একটি বিষয় বোঝা জরুরি।
Skyscraper যত উঁচু হয়, শুধু আরও বেশি steel বা concrete ব্যবহার করলেই সমস্যার সমাধান হয় না।
অতিরিক্ত structural material ভবনকে ভারী ও ব্যয়বহুল করে তুলতে পারে।
ফজলুর রহমান খানের tubular systems ভবনের structural efficiency বাড়ানোর চেষ্টা করেছিল।
অর্থাৎ—
কম material দিয়ে বেশি structural performance।
এর ফলে skyscraper নির্মাণ আরও অর্থনৈতিক হয়ে ওঠে।
আর এর সবচেয়ে বড় ফল হলো—
স্থপতি ও প্রকৌশলীরা ভবনের উচ্চতা নিয়ে আরও সাহসীভাবে চিন্তা করতে পারলেন।
শুধু উঁচু ভবন নয়
ফজলুর রহমান খানের কাজকে শুধু “সবচেয়ে উঁচু ভবন তৈরির প্রযুক্তি” হিসেবে দেখলে তাঁর অবদানকে ছোট করা হবে।
তিনি structural engineering-কে এমনভাবে দেখেছিলেন যেখানে efficiency, economy এবং architectural freedom একসঙ্গে কাজ করতে পারে।
তাঁর tubular system ভবনের structural loads-কে আরও কার্যকরভাবে বণ্টন করতে সাহায্য করেছিল।
এর ফলে skyscraper-এর floor plan, exterior appearance এবং construction cost—সবকিছু নিয়েই নতুনভাবে চিন্তা করার সুযোগ তৈরি হয়।
অর্থাৎ তিনি শুধু ভবনকে উঁচু করার পদ্ধতি বদলাননি।
উঁচু ভবন কেমন হতে পারে—সেই ধারণাটিও বদলে দিয়েছিলেন।
একজন প্রকৌশলী, যিনি স্থপতিদেরও বদলে দিয়েছিলেন
ফজলুর রহমান খান বিশ্বাস করতেন structural engineering এবং architecture আলাদা জগত নয়।
একজন স্থপতি যদি ভবনের সৌন্দর্য নিয়ে ভাবেন, প্রকৌশলী তার নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব নিয়ে ভাববেন—এমন সরল বিভাজন তিনি পছন্দ করতেন না।
বরং দুজন একসঙ্গে কাজ করলে আরও ভালো ভবন তৈরি হতে পারে।
এই চিন্তাই তাঁকে তাঁর সময়ের অনেক structural engineer-এর থেকে আলাদা করেছিল।
তাঁর কাজের মাধ্যমে structural elements ভবনের বাইরের দৃশ্যমান নকশার অংশ হয়ে ওঠে।
আজ অনেক আধুনিক skyscraper-এর exterior structure দেখলে যে বিষয়টি স্বাভাবিক মনে হয়, একসময় সেটি ছিল তুলনামূলকভাবে নতুন চিন্তা।
বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক
বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ skyscraper-গুলোর structural design-এ কাজ করলেও ফজলুর রহমান খান তাঁর শিকড় ভুলে যাননি।
বাংলাদেশের প্রকৌশল শিক্ষা ও তরুণ প্রকৌশলীদের উন্নয়নের বিষয়েও তিনি আগ্রহী ছিলেন।
তিনি বাংলাদেশে প্রকৌশল শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নের জন্য কাজ করেন এবং বিভিন্নভাবে তরুণ প্রকৌশলীদের উৎসাহিত করেন।
তাঁর কাছে প্রকৌশল শুধু ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের বিষয় ছিল না।
এটি ছিল একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি।
একজন দেশের তরুণ যদি ভালো প্রকৌশলী হয়, সে শুধু একটি ভবন তৈরি করে না—
সে একটি দেশের ভবিষ্যৎ অবকাঠামো তৈরি করতে সাহায্য করে।
তাঁর একটি বিখ্যাত চিন্তা
ফজলুর রহমান খান প্রকৌশলী ও স্থপতিদের মধ্যে সহযোগিতার গুরুত্বকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতেন।
তাঁর কাজের দর্শনকে মোটামুটি এভাবে বোঝা যায়—
একটি ভবনকে শুধু দাঁড় করিয়ে রাখাই যথেষ্ট নয়; সেটিকে অর্থনৈতিক, কার্যকর এবং সুন্দরও হতে হবে।
এই চিন্তাই তাঁর structural engineering-এর কেন্দ্রে ছিল।
হঠাৎ থেমে গেল একটি জীবন
ফজলুর রহমান খান তাঁর কর্মজীবনের শীর্ষ পর্যায়ে থাকতেই মারা যান।
১৯৮২ সালের ২৭ মার্চ সৌদি আরবের জেদ্দায় তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৫২ বছর।
এত অল্প বয়সে তাঁর মৃত্যু structural engineering-এর জন্য ছিল বড় ক্ষতি।
কারণ তখনও তাঁর সামনে আরও বহু কাজ করার সুযোগ ছিল।
কিন্তু তাঁর তৈরি structural systems ইতিমধ্যে skyscraper engineering-এর ভবিষ্যৎ বদলে দিয়েছিল।
মৃত্যুর পরও কেন তাঁর কাজ আরও বড় হয়ে উঠল?
একজন বিজ্ঞানীর তত্ত্ব বা প্রকৌশলীর design-এর সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো—
সময়ের সঙ্গে সেটি টিকে থাকে কি না।
ফজলুর রহমান খানের tubular structural concepts সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।
পরবর্তী দশকগুলোতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আরও উঁচু skyscraper নির্মিত হয়েছে।
নতুন নতুন materials এসেছে।
কম্পিউটারভিত্তিক structural analysis এসেছে।
ডিজাইন পদ্ধতি বদলেছে।
কিন্তু tubular structural thinking-এর প্রভাব skyscraper engineering-এর ইতিহাসে স্থায়ী হয়ে গেছে।
আজকের আধুনিক supertall building design-এর ইতিহাস বুঝতে গেলে তাঁর অবদান এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
ফজলুর রহমান খান কেন আজও গুরুত্বপূর্ণ?
একটি skyscraper-এর দিকে তাকালে আমরা সাধারণত তার সৌন্দর্য দেখি।
কাঁচের দেয়াল দেখি।
আকাশের দিকে উঠে যাওয়া অসংখ্য তলা দেখি।
কিন্তু সেই ভবনকে দাঁড় করিয়ে রাখার অদৃশ্য যুক্তিটা খুব কম মানুষই ভাবেন।
ফজলুর রহমান খান সেই অদৃশ্য যুক্তিকে বদলে দিয়েছিলেন।
তিনি দেখিয়েছিলেন—
ভবনের কাঠামো শুধু ভবনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা কোনো বিষয় নয়।
সঠিক structural design ভবনকে আরও উঁচু করতে পারে, আরও দক্ষ করতে পারে এবং একই সঙ্গে তার স্থাপত্যকেও সুন্দর করে তুলতে পারে।
তাঁর কাজের আগে skyscraper engineering-এর একটি বড় প্রশ্ন ছিল—
“কীভাবে আরও উঁচু ভবন বানানো যাবে?”
ফজলুর রহমান খান সেই প্রশ্নকে বদলে দিলেন।
পূর্ববর্তী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: যে কবি বাংলা ভাষাকে নিয়ে গিয়েছিলেন বিশ্বের দরবারে মেঘনাদ সাহা: যে সমীকরণ নক্ষত্রের উত্তাপ আর আলো থেকে তাদের পরিচয় পড়তে শিখিয়েছিল
সম্পর্কিত সংবাদ
জীবনী ও সাক্ষাৎকার
লীলা মজুমদার: শিশুসাহিত্যের যে অভিভাবক ‘টংলিং’ আর ‘হলদে পাখির পালক’-এ বাংলার ছোটদের স্বপ্নের রাজ্য গড়ে দিলেন
জীবনী ও সাক্ষাৎকার
আশাপূর্ণা দেবী: যে গৃহবধূ কলমের জোরে বাংলা সাহিত্যে এক বিপ্লব ঘটিয়ে গেলেন
জীবনী ও সাক্ষাৎকার
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়: রাঢ়বাংলার মাটি-মানুষের সেই মহাকথাকার, যিনি সাহিত্যের জগতে এক নতুন বিশ্ব গড়ে তুলেছিলেন

জীবনী ও সাক্ষাৎকার
বিষ্ণু দে: আধুনিকতার কঠিন পথে যে কবি দুর্গমতার মধ্যে সুরের সন্ধান পেয়েছিলেন

জীবনী ও সাক্ষাৎকার
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত: ধ্রুপদী রীতির কবি, যে নির্মাণ করেছিলেন আধুনিকতার এক কঠিন দুর্গ
জীবনী ও সাক্ষাৎকার
বুদ্ধদেব বসু: আধুনিকতার অগ্রদূত, যে 'কবিতাভবন' বাংলা সাহিত্যকে নতুন ঠিকানা দিয়েছিল
মন্তব্য
অনুমোদিত মন্তব্য এখানে দেখা যাবে। নতুন মন্তব্য পর্যালোচনার পর প্রকাশ হয়।
- এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
