শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: অপরাজেয় কথাশিল্পী যিনি বাংলার হৃদয় জয় করেছিলেন
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কোনো লেখককে যদি 'জনপ্রিয়' ও 'প্রভাবশালী'—এই দুটি বিশেষণে সীমাবদ্ধ করা যায়, তবে তিনি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। বঙ্কিমচন্দ্র যেমন উপন্যাসের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, রবীন্দ্রনাথ যেমন তাকে শিল্পের উচ্চাসনে বসিয়েছিলেন, শরৎচন্দ্র তাকে নিয়ে এলেন সাধারণ মানুষের উঠোনে, তাদের অশ্রু-হাসির মাঝে। বাংলা সাহিত্যে যার জনপ্রিয়তার তুলনা নেই, যিনি বঙ্কিম ও রবীন্দ্রোত্তর যুগে একাই হয়ে উঠেছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী কথাশিল্পী—তিনিই শরৎচন্দ্র। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার জন্য তিনি 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' নামে খ্যাত।
শৈশব ও দারিদ্র্যের স্পর্শ: যে অভিজ্ঞতা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করল
১৮৭৬ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর (বাংলা ১২৮৩ সালের ৩১শে ভাদ্র) হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রামে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন শরৎচন্দ্র। পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায় ও মাতা ভুবনমোহিনী দেবী। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়—ডাকনাম ছিল 'ন্যাঁড়া'। দারিদ্র্যের কারণে পিতাকে শ্বশুরবাড়ি ভাগলপুরে আশ্রয় নিতে হয়েছিল, তাই শরৎচন্দ্রের শৈশবের অধিকাংশ সময় কেটেছিল এই শহরেই। ভাগলপুর পরবর্তীকালে তাঁর সাহিত্যের প্রেক্ষাপট হয়ে উঠেছিল।
পাঁচ বছর বয়সে দেবানন্দপুরের প্যারী পণ্ডিতের পাঠশালায় লেখাপড়া শুরু। পরে ভাগলপুরের দুর্গাচরণ বালক বিদ্যালয়ে ছাত্রবৃত্তিতে ভর্তি হন এবং ১৮৮৭ সালে ভাগলপুর জেলা স্কুলে। ১৮৯৪ সালে তেজনারায়ণ জুবিলি কলেজিয়েট স্কুল থেকে এন্ট্রান্স পাস করেন, কিন্তু এফএ পরীক্ষার ফি জোগাড় করতে না-পারায় শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি ঘটে—দারিদ্র্যের এই কশাঘাত তাঁর সাহিত্যে বারবার ফিরে এসেছে।
ভাগলপুরে তাঁর প্রথম প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা পরবর্তীকালে তাঁর সাহিত্যকর্মে গভীর প্রভাব ফেলে। কিশোর বয়সে তিনি সন্ন্যাসীর বেশে ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ান—এই বিচরণ তাঁর জীবন ও সাহিত্যকে এক অন্য মাত্রা দান করে ।
বার্মা প্রবাস ও সাহিত্যচর্চার সূচনা
১৯০৩ সালে তিনি রেঙ্গুনে যান এবং বার্মা রেলওয়ের অডিট অফিসে চাকরি পান—এখানে কাটে দীর্ঘ বারোটি বছর। রেঙ্গুনেই তিনি 'মন্দির' গল্পটি লিখে 'কুন্তলীন' প্রতিযোগিতায় পাঠান, যা ১৯০৪ সালে প্রথম পুরস্কার পায় । 'ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশিত 'বড়দিদি' থেকে শুরু হয় তাঁর নিয়মিত সাহিত্যচর্চা । ১৯১২ সালে রেঙ্গুন থেকে দেশে ফিরে এলে 'যমুনা' পত্রিকার সম্পাদক ফনীন্দ্রনাথ পাল তাঁকে লেখার অনুরোধ করেন। এরপর 'রামের সুমতি', 'বড়দিদি'—একে একে প্রকাশিত হতে থাকে। ১৯১৬ সালে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিরোধে চাকরি ছেড়ে স্থায়ীভাবে বাংলায় ফিরে আসেন। বার্মায় থাকাকালীন তিনি নিম্নবর্গের শ্রমিক ও কারিগরদের মধ্যে বসবাস করেছিলেন—এই অভিজ্ঞতাই পরবর্তীকালে তাঁর সাহিত্যের উপজীব্য হয়ে ওঠে ।
সাহিত্যকীর্তি: মানুষের হয়ে লেখা
শরৎচন্দ্রের সাহিত্যের মূল উপজীব্য ছিল পল্লীসমাজ, গ্রামীণ মানুষের জীবন ও সমাজের বৈষম্য। নিজের ভাষায়: "দেশের নব্বই জন যেখানে বাস করেন সেই পল্লীগ্রামেই আমার ঘর... তাদের বহু দুঃখ বহু দৈন্যের আজও আমি সাক্ষী হয়ে আছি"।
প্রধান উপন্যাসসমূহ
সামাজিক উপন্যাস: বড়দিদি (১৯১৩), পরিণীতা (১৯১৪), পল্লীসমাজ (১৯১৬), দেবদাস (১৯১৭), দত্তা (১৯১৮), দেনাপাওনা (১৯২৩)
আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস: শ্রীকান্ত (চার খণ্ডে ১৯১৭-১৯৩৩)
বিতর্কমূলক উপন্যাস: চরিত্রহীন (১৯১৭), গৃহদাহ (১৯২০), শেষ প্রশ্ন (১৯৩১)
রাজনৈতিক উপন্যাস: পথের দাবী (১৯২৬)
প্রেমের বিশ্লেষণ ও নারীচরিত্র
শরৎচন্দ্রের উপন্যাসে প্রেম, বিরহ ও নারী-পুরুষের সম্পর্কের যে বিশ্লেষণ দেখা যায়, তা বাংলা সাহিত্যে অনন্য। 'দেবদাস'-এর মর্মন্তুদ প্রেমকাহিনি আজও পাঠকের চোখে জল আনে। 'চরিত্রহীন', 'গৃহদাহ', 'শ্রীকান্ত'—প্রতিটি রচনায় তিনি নারীর মনস্তত্ত্ব ও সমাজের দ্বিমুখী আচরণের সূক্ষ্ম চিত্র এঁকেছেন। নারী-চরিত্র নির্মাণে তাঁর দক্ষতা স্মরণীয়।
বাংলা পাঠক ও সাহিত্যিকসমাজে প্রভাব
পাঠকসমাজে বিপ্লব
শরৎচন্দ্রের আবির্ভাব বাংলা সাহিত্যে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। সাহিত্য ইতিহাসবিদ ড. সুকুমার সেনের মতে, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনাও কখনও সাধারণ পাঠকের কাছে শরৎচন্দ্রের মতো আগ্রহ ও উষ্ণতা পায়নি । তিনি এমন এক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন যা বাংলা সাহিত্যে অভূতপূর্ব। তাঁর রচনা বাংলা, হিন্দি, গুজরাটি, কন্নড়, ফরাসি, ইতালীয়সহ বহু ভাষায় অনূদিত হয় । ১৯২২ সালে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস তাঁর 'শ্রীকান্ত'-এর প্রথম খণ্ডের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করে ।
বাংলা সাহিত্যে তিনি যে জনপ্রিয়তার শিখর স্পর্শ করেছিলেন, তার প্রমাণ পাওয়া যায় তাঁর রচনার চলচ্চিত্রায়ণে। ১৯২২ সালে তাঁর রচনা অবলম্বনে প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র 'অন্ধারে আলো' মুক্তি পায় । 'দেবদাস' তো ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বেশি চলচ্চিত্রায়িত উপন্যাস—এখন পর্যন্ত বিশটিরও বেশি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রযোজনা তৈরি হয়েছে ।
সাহিত্যিকসমাজে প্রভাব
শরৎচন্দ্রের রচনাশৈলী ও বিষয়বস্তু পরবর্তী প্রজন্মের সাহিত্যিকদের গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। বাংলা সাহিত্যের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ লেখকই কোনো না কোনোভাবে তাঁর দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন। ড. সুকুমার সেনের মতে, তাঁর সমসাময়িক অনেক লেখক এবং পরবর্তীকালের প্রায় সব কথাসাহিত্যিকই তাঁর দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন ।
তাঁর প্রভাবের প্রধান দিকগুলো ছিল:
১. সাধারণ মানুষের ভাষায় লেখা: শরৎচন্দ্র বাংলা সাহিত্যে সাধারণ মানুষের কথ্য ভাষায় লেখার ধারা প্রতিষ্ঠা করেন, যা পূর্ববর্তী লেখকদের থেকে ভিন্ন ছিল। তাঁর গদ্যরীতি ছিল সহজ, স্বাভাবিক ও মর্মস্পর্শী—যা শিক্ষিত ও অশিক্ষিত উভয় শ্রেণির পাঠককেই আকৃষ্ট করেছিল ।
২. নারীমুক্তির পক্ষে কলম: তিনি বাংলা সাহিত্যে নারীচরিত্রের এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। বিধবার নিষিদ্ধ প্রেমের কাহিনি 'বড়দিদি' বাংলা সাহিত্য মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল । তাঁর নারীচরিত্রগুলি ছিল জটিল, সংগ্রামী ও আত্মমর্যাদাসম্পন্ন—যা সমাজের প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছিল।
৩. সমাজ সংস্কারের আহ্বান: শরৎচন্দ্রের রচনা সমাজের কুসংস্কার, জাতিভেদ, কন্যাদায় ও অকাল বৈধব্যের মতো সমস্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল । তিনি হিন্দু সমাজের কুসংস্কার ও জাতিভেদ প্রথার বিরুদ্ধে তীব্র সুরে কলম ধরলেও কখনও সমাজকে ঘৃণা করেননি; বরং হৃদয় পরিবর্তনের মাধ্যমে সংস্কারের পক্ষে ছিলেন ।
৪. মানবতাবাদ: তাঁর রচনার মূল সুর ছিল গভীর মানবতাবাদ ও উদারনীতি। তিনি 'পাপকে ঘৃণা কর, পাপীকে নয়'—এই আদর্শে বিশ্বাস করতেন। তাঁর রচনায় উচ্চবর্ণ-নিম্নবর্ণ, ধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে মানুষের অন্তর্নিহিত মঙ্গলের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে ।
৫. রাজনৈতিক চেতনা: 'পথের দাবী' (১৯২৬) উপন্যাসে সশস্ত্র বিপ্লবের পক্ষে মত প্রকাশের জন্য ব্রিটিশ সরকার এই উপন্যাস নিষিদ্ধ ঘোষণা করে । স্বাধীনতা আন্দোলনে শরৎচন্দ্র সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং ১৯২১ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত হাওড়া জেলা কংগ্রেস কমিটির সভাপতি ছিলেন ।
রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে সম্পর্ক: এক অনন্য অধ্যায়
শরৎচন্দ্র ও রবীন্দ্রনাথের সম্পর্ক বাংলা সাহিত্যের এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। রবীন্দ্রনাথ শরৎচন্দ্রের আবির্ভাব সম্পর্কে বলেছিলেন: "বাংলা সাহিত্যের ময়দানে শরৎচন্দ্রের আবির্ভাব হঠাৎ ঘটেছিল। অন্ধকার থেকে খ্যাতির শিখরে পৌঁছাতে তাঁর সময় লাগেনি" ।
শরৎচন্দ্রও রবীন্দ্রনাথের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা পোষণ করতেন। কলকাতা টাউন হলে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি বলেছিলেন: "বিশ্বকবি, কবিগুরু—এসব উপাধি আমরা তাঁকে দিয়েছি। কিন্তু আমরা, যারা তাঁর শিষ্য, আমরা তাঁকে বলি 'কবি'। কারণ সভ্য বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত এই নামটিই যথেষ্ট" ।
তবে ঘনিষ্ঠ পরিচয় ও চিঠিপত্রের আদানপ্রদান থাকলেও দুই সাহিত্যিকের মধ্যে কখনও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি—যা রবীন্দ্রনাথ নিজেও স্বীকার করেছেন: "বাস্তবিক উষ্ণতা গড়ে ওঠেনি। যদি আমরা শুধু আনুষ্ঠানিক সাক্ষাত ও আদানপ্রদানে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রকৃত বোঝাপড়ায় পৌঁছাতে পারতাম, তা অনেক ভালো হতো" ।
সমাজভাবনা: সংস্কারের বিরুদ্ধে কলম
শরৎচন্দ্রের লেখায় সমাজের প্রচলিত সংস্কার, কুসংস্কার ও শাস্ত্রীয় অনাচারের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ সুর। বাংলার পল্লীসমাজের সংকীর্ণ প্রথায় নির্যাতিত মানুষের বেদনা, অকাল বৈধব্যের করুণ চিত্র, জাতিভেদ ও কন্যাদায়ের সমস্যা—সবকিছুই তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে। তিনি পতিতাকে মানব মহিমার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন—"পাপকে ঘৃণা কর, পাপীকে নয়"—বাইবেলের এই বাণীই শরৎসাহিত্যে আদর্শ হয়ে উঠেছে।
যদিও তিনি কুসংস্কারগ্রস্ত হিন্দু সমাজের বিরুদ্ধে তীব্র সুরে প্রতিবাদ করেছিলেন, তিনি কখনও সমাজকে তুচ্ছ করেননি। তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষের চরিত্র ও মূল্যবোধের পরিবর্তন আনতে হবে সংস্কারের মাধ্যমে, জোর করে নয়—এই মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি তাঁর সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ।
স্বীকৃতি ও সম্মান
১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে জগত্তারিণী স্বর্ণপদক প্রদান করে। ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। রবীন্দ্রনাথ ও জগদীশচন্দ্র বসুকে নিয়ে এই সমাবর্তনে অংশগ্রহণের সময় ঢাকাবাসী তাঁকে অভূতপূর্ব সংবর্ধনা জানায়; মুসলিম সাহিত্য সমাজ তাঁকে বিশেষ সম্মানে ভূষিত করে ।
শেষ জীবন ও মহাপ্রয়াণ
শেষ জীবনে হাওড়া জেলার সামতাবেড় গ্রামে রূপনারায়ণ নদের তীরে কাটিয়েছেন বারোটি বছর। ১৯৩৭ সালে অসুস্থ হয়ে পড়েন, যকৃতের ক্যান্সার ধরা পড়ে। ১৯৩৮ সালের ১৬ই জানুয়ারি কলকাতায় প্রয়াত হন।
শেষকথা: অমর কথাশিল্পী
শরৎচন্দ্রের রচনা বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। তিনি যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তা অনন্য। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, প্রেম-বিরহ, আশা-নিরাশা—সবকিছু তিনি এত বাস্তব ও মর্মস্পর্শীভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে তাঁর চরিত্রগুলি আজও বাঙালির হৃদয়ে বেঁচে আছে। তিনি ছিলেন এক গভীর মানবতাবাদী, যিনি সমাজের নিপীড়িত মানুষের হয়ে কলম ধরেছিলেন। তাঁর সাহিত্য বাংলা সাহিত্যের পাঠক ও লেখক উভয়কেই গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে—যার প্রভাব এখনও বিদ্যমান।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: বাংলা উপন্যাসের যে স্থপতি একটি জাতিকে জাগ্রত করেছিলেন
পরবর্তীজীবনানন্দ দাশ: নির্জনতার কবি যিনি বাংলা কবিতায় নিয়ে এলেন এক নতুন বিশ্ব
সম্পর্কিত সংবাদ
জীবনী ও সাক্ষাৎকার
লীলা মজুমদার: শিশুসাহিত্যের যে অভিভাবক ‘টংলিং’ আর ‘হলদে পাখির পালক’-এ বাংলার ছোটদের স্বপ্নের রাজ্য গড়ে দিলেন
জীবনী ও সাক্ষাৎকার
আশাপূর্ণা দেবী: যে গৃহবধূ কলমের জোরে বাংলা সাহিত্যে এক বিপ্লব ঘটিয়ে গেলেন
জীবনী ও সাক্ষাৎকার
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়: রাঢ়বাংলার মাটি-মানুষের সেই মহাকথাকার, যিনি সাহিত্যের জগতে এক নতুন বিশ্ব গড়ে তুলেছিলেন

জীবনী ও সাক্ষাৎকার
বিষ্ণু দে: আধুনিকতার কঠিন পথে যে কবি দুর্গমতার মধ্যে সুরের সন্ধান পেয়েছিলেন

জীবনী ও সাক্ষাৎকার
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত: ধ্রুপদী রীতির কবি, যে নির্মাণ করেছিলেন আধুনিকতার এক কঠিন দুর্গ
জীবনী ও সাক্ষাৎকার
বুদ্ধদেব বসু: আধুনিকতার অগ্রদূত, যে 'কবিতাভবন' বাংলা সাহিত্যকে নতুন ঠিকানা দিয়েছিল
মন্তব্য
অনুমোদিত মন্তব্য এখানে দেখা যাবে। নতুন মন্তব্য পর্যালোচনার পর প্রকাশ হয়।
- এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
