শিংগলসের টিকা কি হৃদরোগের ঝুঁকিও কমাতে পারে? ৭০ হাজার মানুষের গবেষণায় মিলল নতুন ইঙ্গিত
শিংগলসের টিকা কি হৃদরোগের ঝুঁকিও কমাতে পারে? ৭০ হাজার মানুষের গবেষণায় মিলল নতুন ইঙ্গিত
শিংগলস থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য নেওয়া একটি টিকা হয়তো হৃদ্রোগ, হার্ট ফেইলিওর এমনকি স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমাতে পারে। ৭০ হাজারের বেশি মানুষের স্বাস্থ্যতথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা এমন একটি সম্পর্কের সন্ধান পেয়েছেন। তবে গবেষকদের সতর্কতা—এখনই বলা যাচ্ছে না যে টিকাটিই সরাসরি হৃদ্রোগ প্রতিরোধ করে।
একটি টিকা নেওয়া হয়েছিল মূলত তীব্র ব্যথাযুক্ত একটি ভাইরাসজনিত রোগ থেকে বাঁচার জন্য।
কিন্তু কয়েক বছর পর বিজ্ঞানীরা মানুষের স্বাস্থ্যতথ্য বিশ্লেষণ করে দেখলেন, সেই টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে হৃদ্রোগের হারও তুলনামূলক কম।
এটি কি কেবল কাকতালীয়?
নাকি শিংগলসের বিরুদ্ধে শরীরকে সুরক্ষা দিতে গিয়ে টিকাটি হৃদ্যন্ত্রের জন্যও কোনো অতিরিক্ত সুবিধা তৈরি করছে?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার মানুষের স্বাস্থ্যতথ্য বিশ্লেষণ করেছেন গবেষকেরা। ২৬ আগস্ট Nature Medicine-এ প্রকাশিত গবেষণার ফল বলছে, বর্তমানে ব্যবহৃত রিকম্বিন্যান্ট শিংগলস টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে পুরোনো ধরনের শিংগলস টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের তুলনায় হৃদ্রোগ ও হার্ট ফেইলিওরের ঝুঁকি কম দেখা গেছে।
সাত বছর ধরে অংশগ্রহণকারীদের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের পর গবেষকেরা দেখেছেন, নতুন ধরনের টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা গড়ে হৃদ্রোগমুক্ত অবস্থায় তুলনামূলক বেশি সময় কাটিয়েছেন।
তবে এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি মনে রাখা প্রয়োজন।
দুটি ঘটনার মধ্যে সম্পর্ক পাওয়া গেছে মানেই একটি অন্যটির কারণ—এমন সিদ্ধান্ত এখনো দেওয়া যায় না।
অর্থাৎ গবেষণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিলেও, বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিতভাবে বলছেন না যে শিংগলসের টিকা নিলেই হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমে যাবে।
চিকেনপক্সের ভাইরাসই আবার ফিরে আসে শিংগলস হয়ে
শিংগলস বা হারপিস জোস্টার মূলত নতুন কোনো ভাইরাসের সংক্রমণ নয়।
এর পেছনে রয়েছে ভ্যারিসেলা জোস্টার ভাইরাস—একই ভাইরাস যা চিকেনপক্স বা জলবসন্ত ঘটায়।
জলবসন্ত সেরে যাওয়ার পর ভাইরাসটি পুরোপুরি শরীর থেকে বেরিয়ে যায় না। এটি স্নায়ুতন্ত্রের নির্দিষ্ট অংশে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থেকে যেতে পারে।
বহু বছর পর কোনো কারণে শরীরের রোগপ্রতিরোধব্যবস্থার পরিবর্তন হলে ভাইরাসটি আবার সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।
তখন দেখা দেয় শিংগলস।
সাধারণত শরীরের একপাশে ব্যথাযুক্ত ফুসকুড়ি দেখা যায়। অনেকের ক্ষেত্রে এই ব্যথা দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে এবং জীবনযাত্রায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিংগলসের ঝুঁকিও বাড়ে। এ কারণেই বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে শিংগলস প্রতিরোধের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমানে ব্যবহৃত Shingrix একটি রিকম্বিন্যান্ট টিকা। এতে জীবিত ভাইরাস ব্যবহার করা হয় না। ভাইরাসের একটি নির্দিষ্ট প্রোটিন এবং শরীরের রোগপ্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া শক্তিশালী করতে একটি বিশেষ উপাদান ব্যবহার করা হয়।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে Zostavax নামে আরেক ধরনের শিংগলস টিকা ব্যবহার করা হতো। পরে Shingrix সেটির জায়গা নেয়।
আর এই পরিবর্তনই গবেষকদের একটি বিরল সুযোগ দিয়েছে।
টিকা নেওয়া আর না নেওয়া মানুষের তুলনা কেন যথেষ্ট নয়
আগের কয়েকটি গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, শিংগলসের টিকা নেওয়া মানুষের মধ্যে হৃদ্রোগ এবং এমনকি ডিমেনশিয়ার ঝুঁকিও তুলনামূলক কম হতে পারে।
কিন্তু এসব গবেষণার একটি বড় সমস্যা ছিল।
তারা প্রায়ই টিকা নেওয়া মানুষদের সঙ্গে টিকা না নেওয়া মানুষদের তুলনা করেছিল।
শুনতে স্বাভাবিক মনে হলেও বৈজ্ঞানিকভাবে এতে একটি জটিলতা রয়েছে।
যারা স্বেচ্ছায় টিকা নিতে যান, তারা অনেক ক্ষেত্রেই নিজেদের স্বাস্থ্য নিয়ে বেশি সচেতন হতে পারেন। তারা নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে যেতে পারেন, স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারেন, খাদ্যাভ্যাস বা জীবনযাত্রা নিয়েও তুলনামূলক সতর্ক থাকতে পারেন।
ফলে তাদের হৃদ্রোগের ঝুঁকি কম হওয়ার পেছনে শুধু টিকাই কাজ করছে—এমনটা ধরে নেওয়া কঠিন।
গবেষকদের ভাষায়, এটি এক ধরনের selection bias তৈরি করতে পারে।
এবার সেই সমস্যা কিছুটা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
গবেষকেরা এমন দুটি দলকে তুলনা করেছেন, যাদের উভয় দলই শিংগলসের বিরুদ্ধে টিকা নিয়েছিল।
পার্থক্য ছিল টিকার ধরনে।
এক দল নিয়েছিল নতুন রিকম্বিন্যান্ট টিকা Shingrix।
অন্য দল নিয়েছিল পুরোনো Zostavax।
ফলে অন্তত ‘টিকা নেওয়া মানুষ বনাম টিকা না নেওয়া মানুষ’ ধরনের তুলনার বড় সীমাবদ্ধতাটি কিছুটা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
৭০ হাজারের বেশি মানুষের সাত বছরের স্বাস্থ্যতথ্য
গবেষণার জন্য বিজ্ঞানীরা যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যতথ্যের বড় ডেটাবেস TriNetX ব্যবহার করেন।
এখানে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী দুই দলের মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। প্রতিটি দলে ছিল ৩৬ হাজারের বেশি মানুষ।
একটি দল Shingrix নিয়েছিল।
অন্য দল নিয়েছিল Zostavax।
গবেষকেরা টিকা নেওয়ার পর প্রায় সাত বছর পর্যন্ত তাদের স্বাস্থ্যতথ্য পর্যবেক্ষণ করেন।
তারা শুধু কতজন হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, সেটিই দেখেননি।
বরং বিশ্লেষণ করেছেন disease burden—অর্থাৎ একজন ব্যক্তি হৃদ্রোগ শনাক্ত হওয়ার পর থেকে কত সময় সেই রোগ নিয়ে জীবন কাটিয়েছেন।
ফলাফলে একটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা যায়।
রিকম্বিন্যান্ট শিংগলস টিকা গ্রহণকারীরা সাত বছরের পর্যবেক্ষণকালে গড়ে ৯ শতাংশ বেশি সময় হৃদ্রোগমুক্ত অবস্থায় ছিলেন।
এছাড়া Shingrix নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে—
- হৃদ্রোগ নির্ণয়ের ঝুঁকি ছিল প্রায় ১০ শতাংশ কম
- হার্ট ফেইলিওরের ঝুঁকি ছিল প্রায় ১২ শতাংশ কম
- পুরুষদের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের ঝুঁকির সঙ্গে প্রায় ১২ শতাংশ কম হওয়ার সম্পর্ক পাওয়া গেছে
ফলাফলগুলো গবেষকদের আগ্রহী করে তুলেছে।
কারণ, এটি শুধু শিংগলস প্রতিরোধের একটি গল্প নয়। বরং একটি টিকা কীভাবে শরীরের দীর্ঘমেয়াদি রোগপ্রতিরোধ ও প্রদাহজনিত প্রক্রিয়ার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে।
তাহলে কি শিংগলসের টিকা হৃদ্যন্ত্রকেও সুরক্ষা দেয়?
এখনই এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না।
এবং গবেষকেরাও তা বলছেন না।
গবেষণায় দেখা গেছে, Shingrix গ্রহণ করা এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি কম থাকার মধ্যে একটি association বা সম্পর্ক রয়েছে।
কিন্তু association এবং causation এক জিনিস নয়।
ধরা যাক, গবেষণায় দেখা গেল যারা নিয়মিত হাঁটেন, তাদের মধ্যে হৃদ্রোগ কম।
এর অর্থ এই নয় যে হাঁটাই একমাত্র কারণ। যারা হাঁটেন, তাদের খাদ্যাভ্যাস, ওজন, চিকিৎসাসেবা নেওয়ার অভ্যাসসহ আরও অনেক বিষয় ভিন্ন হতে পারে।
একইভাবে Shingrix ও হৃদ্স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও অন্য কোনো অজানা কারণ ভূমিকা রাখতে পারে।
যদিও গবেষকেরা আগের গবেষণাগুলোর তুলনায় অনেক বেশি উপযুক্ত একটি তুলনা করার চেষ্টা করেছেন, তবু পর্যবেক্ষণভিত্তিক গবেষণা দিয়ে সরাসরি কারণ প্রমাণ করা কঠিন।
তাই বিজ্ঞানীদের পরবর্তী কাজ হবে এই সম্পর্কটি আরও বিভিন্ন জনগোষ্ঠীতে পরীক্ষা করা এবং সম্ভাব্য জৈবিক ব্যাখ্যা খোঁজা।
ভাইরাস, প্রদাহ এবং হৃদ্রোগের মধ্যে কি কোনো সম্পর্ক আছে?
এই গবেষণা একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রশ্নও সামনে নিয়ে আসে।
সংক্রমণ কি দীর্ঘমেয়াদে হৃদ্রোগের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে?
বিভিন্ন গবেষণায় ভাইরাসজনিত সংক্রমণ এবং শরীরের প্রদাহের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ হচ্ছে।
যখন শরীর কোনো ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে, তখন রোগপ্রতিরোধব্যবস্থা সক্রিয় হয়। কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী বা পুনরাবৃত্ত প্রদাহ রক্তনালী ও অন্যান্য অঙ্গের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
শিংগলসের মতো ভাইরাসের পুনঃসক্রিয়তা প্রতিরোধ করতে পারলে, সেটি কি পরোক্ষভাবে শরীরের অন্য কোনো ক্ষতিকর প্রক্রিয়াও কমাতে পারে?
এটি এখনো একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা মাত্র।
আরেকটি সম্ভাবনা হলো, রিকম্বিন্যান্ট টিকায় থাকা রোগপ্রতিরোধব্যবস্থাকে উদ্দীপিত করার উপাদান শরীরে এমন কোনো প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে, যা হৃদ্স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে।
তবে এসব ব্যাখ্যার কোনটি সত্য, নাকি একাধিক কারণ একসঙ্গে কাজ করছে—তা এখনো জানা যায়নি।
সেই কারণেই গবেষণাটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র বলা যায়, কিন্তু চূড়ান্ত উত্তর নয়।
টিকার ‘অতিরিক্ত সুবিধা’ নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ বাড়ছে
একটি টিকা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট রোগ প্রতিরোধের জন্য তৈরি করা হয়।
কিন্তু কখনো কখনো দেখা যায়, রোগপ্রতিরোধব্যবস্থার ওপর তার প্রভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে।
শিংগলস টিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এমনই কিছু গবেষণা সামনে এসেছে। কোথাও হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, কোথাও ডিমেনশিয়ার ঝুঁকির সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা হয়েছে।
তবে সব ক্ষেত্রেই একই সতর্কতা প্রযোজ্য।
পর্যবেক্ষণভিত্তিক গবেষণায় দুটি বিষয়ের মধ্যে সম্পর্ক পাওয়া গেলেও সেটি সরাসরি কারণ প্রমাণ করে না।
বিজ্ঞানীরা এখন জানতে চান, বিভিন্ন ধরনের গবেষণায় একই ফল পাওয়া যায় কি না।
যদি পাওয়া যায়, তাহলে পরবর্তী প্রশ্ন হবে—কেন?
একটি ভাইরাস প্রতিরোধী টিকা কীভাবে হৃদ্যন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে?
উত্তরটি পাওয়া গেলে সেটি শুধু শিংগলস টিকা নিয়ে আমাদের ধারণাই বদলাবে না, ভবিষ্যতে টিকা ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ প্রতিরোধের সম্পর্ক নিয়েও নতুন গবেষণার পথ খুলে দিতে পারে।
আপাতত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা কী?
এই গবেষণার ফল দেখে এখনই কেউ হৃদ্রোগ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে শিংগলস টিকা নেওয়ার সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়।
শিংগলসের টিকা নেওয়া উচিত মূলত শিংগলস প্রতিরোধের জন্য এবং নিজের বয়স, স্বাস্থ্যগত অবস্থা ও স্থানীয় স্বাস্থ্য নির্দেশনা অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শে।
তবে নতুন গবেষণাটি একটি সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে।
একটি টিকা, যা মূলত একটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ভাইরাসজনিত রোগ থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি হয়েছিল, সেটির সঙ্গে হয়তো হৃদ্স্বাস্থ্যেরও একটি অপ্রত্যাশিত সম্পর্ক রয়েছে।
৭০ হাজারের বেশি মানুষের তথ্য থেকে পাওয়া সেই ইঙ্গিত এখন বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন প্রশ্ন রেখেছে।
শিংগলসের টিকা কি শুধু একটি ভাইরাসের পুনরুত্থান ঠেকায়? নাকি এর মাধ্যমে শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন ঘটে, যা হৃদ্রোগের মতো দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার ঝুঁকিও কমাতে পারে?
উত্তরটি এখনো নিশ্চিত নয়।
কিন্তু বিজ্ঞানীরা অন্তত জানেন—প্রশ্নটি আর উপেক্ষা করার মতো নয়।
একসময় একটি টিকার সাফল্য মাপা হতো, সেটি কতটা কার্যকরভাবে নির্দিষ্ট রোগ প্রতিরোধ করতে পারে তা দিয়ে। ভবিষ্যতে হয়তো বিজ্ঞানকে আরও বড় একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে—
একটি টিকা কি কখনো তার নির্ধারিত লক্ষ্য ছাড়িয়ে শরীরকে অন্য রোগ থেকেও অপ্রত্যাশিত সুরক্ষা দিতে পারে?
একটি হিমবাহ ভেঙে পড়ল, তারপর নেমে এল পানি-পাথর-কাদার দেয়াল: নেপালের ভয়াবহ বন্যা কি ভবিষ্যতের সতর্কবার্তা?
পরবর্তীক্যানসার ফিরে আসার আগেই শরীরকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে টিকা: মেলানোমার বিরুদ্ধে নতুন আশার নাম ব্যক্তিগতকৃত mRNA ভ্যাকসিন
সম্পর্কিত সংবাদ

বিজ্ঞান বার্তা
আইনস্টাইনের সমস্যার পেছনের আকৃতিতে মিললো নতুন বিস্ময়কর পদার্থবিজ্ঞান

বিজ্ঞান বার্তা
১২৫ মিলিয়ন বছরের পুরোনো কুমিরের ফসিলে UV আলোতে মিললো সম্ভাব্য ক্যামোফ্লেজ

বিজ্ঞান বার্তা
ক্ষুদ্র কোষীয় "অ্যান্টেনা" ব্যাখ্যা করতে পারে কেন কিছু শিশু হৃদরোগ নিয়ে জন্মায়
বিজ্ঞান বার্তা
'স্টমাক বাগ' প্রতিরোধী কোষকে অন্ত্র থেকে মস্তিষ্কে পাঠায়
বিজ্ঞান বার্তা
'সময় গতি বাড়াচ্ছিল, কমাচ্ছিল, এমনকি থেমেও যাচ্ছিল': পদার্থবিদ ল্যাবে 'মিনি-ইউনিভার্স' তৈরি করে সময়ের একটি মূল তত্ত্ব প্রমাণ করলেন
বিজ্ঞান বার্তা
নাসা ISS-এ পদার্থের পঞ্চম অবস্থা তৈরি করছে, মিনি-ফ্রিজ আকারের quantum ল্যাবের আপগ্রেডের সুবাদে
মন্তব্য
অনুমোদিত মন্তব্য এখানে দেখা যাবে। নতুন মন্তব্য পর্যালোচনার পর প্রকাশ হয়।
- এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
